আমরা যেকোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত -প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত

বাঙ্গালি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়ী জাতি মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অন্যায়ের কাছে মাথা নত নয়, বরং যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পিছপা হবো না। বাংলাদেশকে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও উন্নয়নে নেতৃত্বের জন্য বহির্বিশ্বে এখন প্রতিকৃত ধরা হয়। রোববার চট্টগ্রামের বিএনএ ফ্লোটিলায় প্রেসিডেন্ট কুচকাওয়াজ মিডশিপম্যান পরিদর্শন শেষে ভাষণে তিনি একথা বলেন। এবার ২১ জন নারী কর্মকর্তা কমিশন পেতে যাচ্ছে এবং এটা নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিডশিপম্যানদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে তোমরা এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার মহান দায়িত্বে আত্মনিয়োগ করবে। একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর সদস্য হিসেবে সর্বদা ঊর্ধ্বতনদের প্রতি আনুগত্য ও অধস্তনদের সহমর্মিতা প্রদর্শন করবে। চেইন অব কমান্ড মেনে চলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে বিশ্ব দরবারে আরও গৌরবোজ্জ্বল আসনে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে।
৭ মার্চের ভাষণে জাতির অস্তিত্বের ইতিহাস প্রতিফলিত হয়েছে। এ ভাষণ শোষণ-শাসনে জর্জরিত জাতির বেদনার উপাখ্যান। ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি জাতির পিতার আহ্বানে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধের অবিনশ্বর ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাসের আলোকে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আত্মবিশ্বাসী এবং দৃঢ়চেতা করবে। ১৯৬৬’র ৬-দফায় বঙ্গবন্ধুই প্রথম পূর্ববঙ্গে নৌবাহিনীর সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছিলেন বলে জানান তিনি। মিডশিপম্যান ২০১৫ ব্যাচের সোহানুর রহমান চৌকস সদস্য হিসেবে ‘সোর্ড অব অনার’ লাভ করেন। এছাড়া মিডশিপম্যান সীমান্ত নন্দী আকাশ ‘নৌ প্রধান স্বর্ণ পদক’ পেয়েছেন। ডাইরেক্ট এন্ট্রি অফিসার ২০১৭ বি ব্যাচের সাব লেফটেন্যান্ট এ ডেজ এম নাসিমুল ইসলাম শ্রেষ্ঠ ফলাফল অর্জনকারী হিসেবে ‘বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন স্বর্ণ পদক’ পেয়েছেন।