আয়া ও নৈশপ্রহরী গোপনে নিয়োগে পায়তারা রাজারহাটে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারসহ সুপার অবরুদ্ধ

প্রকাশিত

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, রাজারহাট(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
২২ ডিসেম্বর রাজারহাট উপজেলাধীন মহিধর আবু তাহের দাখিল মাদরাসার সুপার মজিবুর রহমান অভিনব কৌশল অবলম্বন করে গোপনে আয়া ও নৈশ প্রহরী নিয়োগের পায়তারা ফাঁস হওয়ায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ডিজির প্রতিনিধি, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও প্রতারক সুপারকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। খবর পেয়ে রাজারহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষা অফিসার ও প্রতারক সুপারকে উদ্ধার করে। এসময় ডিজির প্রতিনিধি তাৎক্ষনিকভাবে মাদরাসা থেকে সটকে পড়ে।
ওই মাদরাসা সুপার কৌশলে একেক প্রার্থীকে একেক জায়গায় পরীক্ষার প্রবেশ পত্রে স্থাান দেখিয়ে তড়িঘড়ি করে পরীক্ষা গ্রহন করার চেষ্টা করে। ওই সুপার ওই প্রতিষ্ঠানে আয়া ও নৈশ প্রহরী দু’টি পদে ১৫ লাখ টাকায় পছন্দের দুই প্রার্থীদের নিকট গ্রহন করার অভিযোগ উঠে। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসি ও প্রতারণার শিকার প্রার্থী ও তাদের অভিভাবকগণ ২২ডিসেম্বর বিকেল ৩ ঘটিকায় ডিজির মনোনিত প্রতিনিধি ও রাজারহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফ- উজ – জামানকে নিয়ে চুপিসারে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গেলে বিক্ষুব্ধরা তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। একপর্যায়ে ডিজির প্রতিনিধি মাদরাসা থেকে সটকে পড়ে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন সুপার মজিবুর রহমান ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। খবর পেয়ে রাজারহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্হলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। পরে সুপার মজিবুর রহমান তাৎক্ষনিক অনিদ্দিষ্টকালের জন্য নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করে নোটিশ টাঙ্গিয়ে ছাড়া পান। এছাড়া প্রতিষ্ঠান সংস্কারের নামে লাখ লাখ টাকার প্রকল্প নিয়ে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে সমুদয় অর্থ লোপাট করার তথ্য বেড়িয়ে আসে। তার এ অপকর্মের বিরুদ্ধে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে ভূক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিক্ষুব্ধরা সুপারের অপসারন দাবি করে তাৎক্ষনিক বিক্ষোভ করেছেন।