একজনের সামনে অপরজনকে ধর্ষণ, মুখ বন্ধ করতে ৫ রুপি!

প্রকাশিত

ভারতের দিল্লির দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৬০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুই মেয়েকে ধর্ষণ করে।আর এ ঘটনা ফাঁস না করার জন্যে ওই দুটো মেয়ের প্রত্যেককে ৫ রুপি করে দেয়।

অভিযুক্তের নাম মোহাম্মাদ জয়নুল। তিনি একজন দিনমজুর। পুলিশ জানায়, এই বুড়ো লোকটি দুটো মেয়েকে প্রলুব্ধ করে এবং জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। মেয়েদের একজনের বয়স ৫ এবং অন্যজনের ৯। এই দুই শিশুকে নির্যাতনের পর তাদের মুখ বন্ধ করতেও নানা কথা বলে ধর্ষক। অন্য কাউকে এসব ঘটনা না বলতে প্রত্যেক মেয়েকে ৫ রুপি করে দেয় সে। গত রোববার এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ পশ্চিম) মিলিন্দ মাহাদেও ডাম্বেরে জানান, পুলিশ পরে এ ঘটনার কথা জানতে পারে। ওই দুই মেয়ের একজনের অভিভাবক তা জানতে পারেন। পরে পুলিশকে ফোন দেন তিনি।

তদন্তের পর পুলিশ জানায়, ৯ বছর বয়সী মেয়েটির বাড়ির কাছেই দুজন খেলা করছিল। সেখানেই হাজির হয় ৬০ বছরের জয়নুল। তাদের চকোলেট ও মিষ্টি দিয়ে হৃদ্যতা স্থাপন করেন তিনি। দুটো মেয়ের বাবা-মায়েরা কাজে বাইরে থাকার সুযোগ নেয় লোকটি। সে তাদের দুজনকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানেই একজনের সামনে অপরজনকে ধর্ষণ করে। তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার সময় দুজনের হাতে ৫ রুপি করে দেয় যেন তারা এসব কথা কাউকে না বলে। তাদের ভয়ও দেখায় সে।

ভীত হয়ে দুজন বাড়ি ফিরে আসে। তারা কাউকেই বিষয়টি জানায়নি ভয়ে। কিন্তু ৫ বছরের মেয়েটি একটা পর্যায়ে ব্যথায় কাঁদতে শুরু করে। এরপরই সে এসব বলে দেয় বাবা-মাকে। পরে তার দেহের স্পর্শকাতর অংশে নির্যাতনের চিহ্ন মেলে, জানান ডাম্বেরে। আটক করা হয়েছে ধর্ষককে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগও গঠন করা হয়েছে। এখন বিচারের মুখোমুখি রয়েছে সে

Be the first to write a comment.

Leave a Reply