একটি ব্রিজ ভেঙ্গে দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা :একটি কাঠের ব্রিজ ভেঙ্গে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার দু’টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক বাসিন্দা।

হাড়িয়া নদীর উপর নির্মিত শংকরদানা কাঠের ব্রিজ নামে পরিচিত এই সেতু দিয়েই পাইকগাছার কপিলমুনি ইউনিয়নের বারুইডাঙ্গা এবং লতা ইউনিয়নের শংকরদানা ও তেঁতুলতলা গ্রামের মানুষের প্রতিদিনের আসা-যাওয়া। এখন ভেঙ্গে পড়ায় যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এসব এলাকার জনসাধারণ।

শংকরদানা কাঠের ব্রিজ সংশ্লিষ্ট এসব গ্রাম চিংড়ি ঘের সমৃদ্ধ। ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়ায় ব্যবসায়ীদের শহরের সাথে যোগাযোগও বিচ্ছিন্নপ্রায়। বন্ধ হয়ে গেছে নছিমন-করিমন, ভ্যান-সাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল। ফলে এখানে উৎপাদিত মাছ-সবজি সহজেই শহরে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছেনা। এতে অর্থনৈতিকভাবে সমস্যায় পড়েছে এসব এলাকার মানুষ। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরাই স্কুলে যাতায়াতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।

গত একমাসেরও বেশি সময় ধরে ব্রিজটি দুই ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের চরম ভোগান্তির কারণ হলেও কেউ সংস্কারে এগিয়ে আসছে না। এই ব্রিজের নির্মাতা স্থানীয় সরকার বিভাগও নিশ্চুপ।

ব্রিজটির দৈর্ঘ্য মাত্র ২০০ ফুট। সম্প্রতি উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডঃ স. ম. বাবর আলী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওঃ শেখ কামাল হোসেন, কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার ও লতা ইউপি চেয়ারম্যান দিবাকর বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্রিজটি পরিদর্শনও করেছেন। তারপরও ব্রিজটি সংস্কারে কোন সুরাহা হয়নি।

এ বিষয়ে আলাপকালে জনভোগান্তির কথা স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল হাসান জানান, কাঠের ব্রিজটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে তিনি শুনেছেন। কিন্তু এটি স্থানীয় সরকার বিভাগের দেখার দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কিছুই করার নেই। তবে, ওই নদীর ওপর পাকা সেতু নির্মাণের প্রচেষ্টা চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।