এবার মগবাজার–মৌচাক উড়ালসড়কে সিঁড়ি!

প্রকাশিত
ছবি: প্রথম আলো

ট্রাফিক পুলিশের ওঠানামার জন্য মগবাজার–মৌচাক উড়ালসড়কের মালিবাগ অংশে তৈরি হচ্ছে সিঁড়ি l এবার মগবাজার-মৌচাক উড়ালসড়কে ওঠানামার জন্য নকশাবহির্ভূতভাবে সিঁড়ি বানানো হচ্ছে। এর আগে মেয়র মোহাম্মদ হানিফ উড়ালসড়কে এ ধরনের সিঁড়ি বসানোর পর তা উচ্চ আদালতের নির্দেশে অপসারণ করতে হয়েছিল।

মগবাজার-মৌচাক উড়ালসড়ক বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানায়, এই উড়ালসড়কের ট্রাফিক সিগন্যাল থাকায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ওঠানামায় সমস্যা হচ্ছে। মূলত তাঁদের জন্যই এই সিঁড়ি বানানো হচ্ছে। সিঁড়ির ওপরের অংশে থাকবে ট্রাফিক পুলিশ বক্স। এটা হবে মালিবাগে। আর মৌচাক মোড়ে খুঁটি গেড়ে আরেকটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স তৈরি করা হবে।

অনেক অপেক্ষার পর গত ২৬ অক্টোবর মগবাজার-মৌচাক উড়ালসড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছিল। এলজিইডি সূত্র জানায়, উড়ালসড়কের মালিবাগ-মৌচাক অংশের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশন। তারাই এই সিঁড়ি ও পুলিশ বক্স বানিয়ে দিচ্ছে। এর খরচ প্রকল্পের ব্যয় থেকে দেওয়া হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, উড়ালসড়কের মালিবাগ অংশে সড়ক বিভাজকের ওপর চারটি লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে সিঁড়ি বানানো হয়েছে। সিঁড়িতে বেড়া দেওয়ার কাজও শেষ। সিঁড়ির ওপরের অংশে ছয় ফুট বাই পাঁচ ফুট স্টিলের পাত বসানো। এখানে পুলিশ বক্স বনানো হবে বলে জানিয়েছেন শ্রমিকেরা। এ জন্য বক্সের সামনের উড়ালসড়কের দেয়ালও কাটা হয়েছে।

মৌচাক মোড়ে আরেকটি পুলিশ বক্স নির্মাণের জন্য নিচ থেকে চারটি কংক্রিটের খুঁটি ওঠানো হচ্ছে। তবে সেটি চারপাশে থেকে টিন দিয়ে ঘেরা। কোনো নির্মাণশ্রমিককে সেখানে দেখা যায়নি।

জানতে চাইলে এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও এই প্রকল্পের পরিচালক সুশান্ত কুমার পাল বলেন, উড়ালসড়কের ওপর সিগন্যালে দায়িত্ব পালন করতে আসা ট্রাফিক পুলিশের সমস্যা হচ্ছিল। তাই শুধু তাঁদের যাতায়াতের জন্য এই সিঁড়ি বানানো হচ্ছে। এতে মূল উড়ালসড়কের কোনো সমস্যা হবে না। অন্য কোথাও আর সিঁড়ি নির্মাণ করা হবে না।
মেয়র মোহাম্মদ হানিফ উড়ালসড়ক উদ্বোধনের কিছুদিন পর যাত্রীদের দোহাই দিয়ে যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদে পৃথক তিনটি ইস্পাতের সিঁড়ি তৈরি করেছিল ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড। গত ১০ জুলাই এই সিঁড়িগুলো অপসারণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ওই দিনই সিঁড়িগুলো বন্ধ করে দেয় ডিএসসিসি। কিছুদিন পর তা পুরোপুরি অপসারণ করা হয়।

Be the first to write a comment.

Leave a Reply