এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য

প্রকাশিত

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় করোনা মহামারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্য অব্যাহত রাখার অভিযোগ উঠেছে। আগৈলঝাড়া শ্রীমতি মাতৃ মঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, করোনা সংক্রমণরোধে চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে সরকার। শিক্ষার্থীরা যেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত না হয় সেজন্য প্রাইভেট-কোচিংয়েও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু সে নিষেধাজ্ঞার কোনো তোয়াক্কা না করে নিজেদের কোচিং বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছেন আগৈলঝাড়া শ্রীমতি মাতৃ মঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আব্দুল জ‌লিল, বাবু গৌরাঙ্গলালসহ বেশ কয়েকজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক। আগৈলঝাড়া শ্রীমতি মাতৃ মঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর আব্দুল জলিলের নিজস্ব ক‌ম্পিউটার ট্রে‌নিং সেন্টারেও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে, করোনার মধ্যে এসব কোচিং সেন্টার খোলা রাখায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা অভিভাবকদের। ফলে অবিলম্বে এসব কোচিং সেন্টার বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগ অস্বীকার করেন আগৈলঝাড়া শ্রীমতি মাতৃমঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর আব্দুল জলিল। একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন স্বীকার করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, আমার কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে ঠিকই কিন্তু আমি সেখানে ক্লাস নিচ্ছি না। স্কুলের ক্লাস নাইনের রেজিস্ট্রেশন কাজ করতে একদিন ছাত্রীরা আমার প্রশিক্ষণকেন্দ্রে এসেছিল। তা দেখে এলাকাবাসী ভাবছে আমি ক্লাস নিচ্ছি।

স্কুলের রেজিস্ট্রেশন করতে ছাত্রীরা কেন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যাবে জানতে চাইলে শিক্ষক আব্দুল জলিল দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, স্কুল বন্ধ ছিল বারবার হেডমাস্টারকে ডেকে এনে স্কুল খোলা সম্ভব নয়। তাই কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে ছাত্রীদের রেজিস্ট্রেশনের কাগজপত্র নিছিলাম। কারো কোচিং ক্লাস নেয়া হচ্ছে না বলেও দাবি করেন এ শিক্ষক।