কাপ্তাইয়ে যুবলীগ নেতাকে বাড়ি থেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে যুবলীগ নেতা উসুইপ্রু মারমাকে (৩৫) বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছেন দুর্বৃত্তরা। গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার চিম্রং হেডম্যানপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর লাশ উদ্ধার করেছে।
নিহত উসুইপ্রু মারমা চিম্রং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। চিম্রং হেডম্যানপাড়াটি কাপ্তাই উপজেলা সদর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে কর্ণফুলি নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত। কারা তাঁকে হত্যা করেছে, পুলিশ নিশ্চিত করে তা জানাতে পারেনি।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন বলেছে, গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিম্রং হেডম্যানপাড়ায় উসুইপ্রু মারমার বাড়িতে দুর্বৃত্তরা হানা দেন। তাঁরা দরজা খুলতে বলেন। দরজা খুলতে রাজি না হওয়ায় দুর্বৃত্তরা দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন। তাঁরা তাঁকে জোর করে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর তিনটি গুলির শব্দ পাওয়া যায়।

চিম্রং মৌজার হেডম্যান (মৌজাপ্রধান) চাই থোয়াই হ্লা মারমা বলেন, গতকাল রাতে সশস্ত্র অবস্থায় তিনজন দুর্বৃত্ত এসেছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর হেডম্যানপাড়ায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পাড়ার লোকজন আতঙ্কে আছেন বলে তিনি জানান।

®চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশ্রাফ উদ্দিন বলেছেন, উসুইপ্রু মারমাকে হত্যার সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাঙামাটি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওসি বলেন, ‘ওই এলাকায় কয়েকটি সন্ত্রাসী দলের চাঁদাবাজির কথা শোনা যায়। এ জন্য তদন্তের আগে নিশ্চিত করে বলা যাবে না, কোন দলের সন্ত্রাসীরা উসুইপ্রু মারমাকে হত্যা করেছেন।’

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে কাপ্তাই উপজেলার রায়খালী ইউনিয়নের কারিগড়পাড়া থেকে আওয়ামী লীগ নেতার ভাই মংসিং মারমাকে একদল সন্ত্রাসী অপহরণ করেন। এর পর থেকে তাঁর আর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।