কুমিল্লায় ১৮৮৭০ পিছ ইয়াবা, ৪৫টি ফেনসিডিলসহ আটক ২ পুলিশ সদস্যের বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি দাউদকান্দি পুলিশ

প্রকাশিত

তুহিন সারোয়ার-

বর্তমান করোনাকালীন সময়ে পুলিশের ভুমিকা দেশে প্রশংসনীয়। পরিবারের সদস্যরা যখন মৃত ব্যক্তির লাশ দাফনকাফন করতে অনীহা প্রকাশ করছেন তখন পুলিশ সদস্যরা নিজের জীবন বাজি রেখে পরিবার পরিজনের কথা না ভেবে দেশ ও দশের কাজে যেভাবে নিজেদের নিয়োজিত করছেন, ঠিক তখনই

গত ২৪ জুন বুধবার  গভীর রাতে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদকের একটি বড় চালান নিয়ে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েছেন গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) শহীদ ও এসআই রাকিবসহ ৫ জন। ১৮ হাজার ৪৭০ পিস ইয়াবা, ৪৫ বোতল ফেনসিডিল  ও ৯টি মোবাইল ফোনসহ র‌্যাব-১ উত্তরার একটি দল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি টোলপ্লাজা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে।

র‌্যাব-১ সূত্র ও মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, র‌্যাবের একটি দল গত বুধবার গভীর রাতে দাউদকান্দি টোলপ্লাজা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে  প্রাইভেট কার থেকে ১৮ হাজার ৪৭০ পিস ইয়াবা, ৪৫ বোতল ফেনসিডিল ও নয়টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে।

সাথে, মাদক বহনের দায়ে প্রাইভেটকারের আরোহী মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার বালাসুর গ্রামের হেলাল ভূঁইয়ার ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৭), ঢাকার উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরের বাসা নম্বর-৬০ এর দ্বীন ইসলামের ছেলে জামাল হোসেন (৩২), রাজশাহীর বাঘা থানার বাদুভাঙ্গা গ্রামের শাহাবুদ্দিনের ছেলে শাহ আলম (৩০), সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বনামালী গ্রামের জোর্ডান উদ্দিন আকন্দের ছেলে রাকিবুল হাসান (৪১), মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পশ্চিম শিকাড়মঙ্গল গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে শহীদুর রহমানকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়।

গত বুধবার র‌্যাব সদস্য মজিবুর রহমান বাদী হয়ে দাউদকান্দি থানায় মামলা দায়ের করেন। কিন্তু দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি। ধৃত ৫ জনকে বুুধবার বিকালেই আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি চ্যানেল সিক্সকে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার আদালত পরিদর্শক মো. সালাহ উদ্দিন।

র‍্যাব সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে শহীদুর রহমান ময়মনসিংহ ক্রিমিনাল ইনভেষ্টিগেশন ডিপার্টমেন্টে (সিআইডি) কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক ও রাকিবুল হাসান টঙ্গী টুরিস্ট পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদে কর্মরত।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রীতিমত সমালোচনার ঝড় উঠেছে এবং টঙ্গীর  সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন মাদকের চালান নিয়ে ধরা পড়া পুলিশের এ কর্মকর্তা যখন ওসি (অপারেশন) হিসেবে টঙ্গী পশ্চিম থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন তখন সেখানকার মাদক ব্যবসায়ীরা কতটা ‍সুযোগ পেয়েছে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করতে তা এখন পরিস্কার ।