খুলনার করোনা হাসপাতালে আরও ৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত

খুলনার করোনা হাসপাতালে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার-বৃহস্পতিবার) করোনা এবং উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খুলনা করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ও খুমেক হাসপাতালের আবাসিক মেডিক‌্যাল অফিসার ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার।

খুলনা করোনা হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ জনের মৃত্যু হয়। এরমধ্যে খুলনার পাইকগাছার মৃত ইব্রাহিম গাজীর ছেলে আবুল কাশেম (৭৩), যশোর অভয়নগরের আদিত্য দত্তের ছেলে বিষ্ণু দত্ত (৫৬), খুলনার রূপসা কাজদিয়ার ইয়াকুব আলী গাজীর ছেলে ইদ্রিস আলী গাজী (৬০), ফুলতলার কসবার মৃত কাজী বেলায়েত হোসেনের ছেলে হাসিনা বেগম (৭৮) ও ফুলতলার শাহিনুর (৪০)। এছাড়া উপসর্গ নিয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, ৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে এবং ২ জন উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এছাড়া হাসপাতালে ১৫৯ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। যার মধ্যে রেডজোনে ১০১ জন, ইয়ালোজোনে ২৯ জন, এইচডিইউতে ১০ জন এবং আইসিইউতে ১৯ জন চিকিৎসাধীন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৫৩ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৩ জন।
এদিকে, বুধবার (১৬ জুন) রাতে খুমেক পিসিআর ল্যাবের পরীক্ষায় ১১১ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে।

খুলনা মেডিক‌্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ জানান, খুমেকের পিসিআর মেশিনে ৩৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১১১ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। যার মধ্যে খুলনার ৩৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১০০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া বাগেরহাট ৩ জন, যশোরের ২ জন, সাতক্ষীরার ৩ জন, ঝিনাইদহের একজন, নড়াইলের একজন ও মাগুরা জেলার একজন রয়েছে।

খুমেকের পিসিআর মেশিনে মোট নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ২৮.৯১ শতাংশ বলেও জানান ডা. মেহেদী নেওয়াজ।