গাজীপুরে ৬৯ শতাংশ সরকারি জমি দখল, আদালতের উচ্ছেদ আদেশ থাকলেও টালবাহানা

প্রকাশিত

তুহিন সারোয়ার-চ্যানেল সিক্স-

গাজীপুর সড়ক  বিভাগাধীন (১৩নং ওয়ার্ড নাওজোড় বাস ষ্ট্যান্ড ) জয়দেবপুর – মির্জাপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নাওজোড় রিয়াজ সিএনজি পাম্পের পূর্ব পার্শ্বে মহাসড়কের এক পার্শ্বে ৬৯ শতাংশ সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ্য ভাবে স্থাপনা নির্মান করে ভাড়া দিয়ে মাসে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে নাওজোড় এলাকার তানভীর সিরাজ গং । আদালতের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভূমি নিজেদের  দাবী করে বিগত ২৫ বছর যাবৎ দোকান পাঠ নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্রটি । সরকারি  জমি ভূমি  দস্যুদের হাত  থেকে  রক্ষা  করার জন্য স্থানীয় নাওজোর এলাকার বাসিন্দা

হেদায়েত আলী গত ১৯/১০/২০১৭ইং তারিখে  সড়ক ও মহাসড়ক  বিভাগ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। উক্ত অভিযোগের  ভিত্তিতে গত ৬- ১১-২০১৭ তারিখে  তদন্ত  সাপেক্ষে  উক্ত  জমি  দখলমুক্ত  করার  জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী সওজ গাজীপুর, ডি.এ.কে.এম নাহীন রেজা বরাবর নোটিশ জারি করেন। যার  ডাইরী নং- ১৭৩০ (২) প্রঃপ্রঃ স্বারক নং- ৩৫.০০.০০০.০২৩.০১.০৫৯.১৬.২৮২ গাজীপুরে  নির্বাহী প্রকৌশলী এর কার্যালয় থেকে কয়েকবার  স্থাপনা উচ্ছেদের  জন্য নোটিশ করা সত্যেও  ভূমি দস্যুরা স্থাপনা  উচ্ছেদ করছে না এরই আলোকে গত ৯/০৪/২০১৮ ইং তারিখে  গাজীপুরের  নির্বাহী  প্রকৌশলী ডি.এ.কে এম নাহীন রেজা পরিচিতি নং- ৬০২১৪৩। উক্ত ভূমি দস্যুদের নামে  চুড়ান্ত  নোটিশ  জারি করেন। যদিও চুড়ান্ত নোটিশে  উল্লেখ থাকে যে, নোটিশ  পাওয়ার ৭ (সাত)  দিনের মধ্যে  স্থাপনা  উচ্ছেদ করতে  হবে। বাস্তবে তা ৫ (পাঁচ) মাস  পার  হয়ে গেলেও অবৈধ  স্থাপনার  উচ্ছেদের  কাজ  মোটেও  হয়নি। গাজীপুর  সড়ক বিভাগের  প্রকৌশলী ডি.এ.কে এম নাহীন রেজা গত তিন মাস আগে চ্যানেল সিক্স-কে জানিয়েছিলেন , রমজান  মাস  ও ঈদ-উল ফিতর,  হওয়ার  কারণে  মানবিক  দৃষ্টিতে তা উচ্ছেদ করা হয়নি।ঈদের পরেও  বার বার তার সাথে  আবারও যোগাযোগ করা হলেও তিনি বিভিন্ন ব্যাস্ততা এবং অজুহাত দেখিয়ে আসছেন। আদালতের উচ্ছেদ আদেশ থাকা সত্বেও  প্রকৌশলী  জনাব নাহিন  রেজার এমন  টালবাহানা করে সময়  পার  করার  কারণ  না জানা গেলেও উক্ত ভূমি দস্যুদের সাথে তার আতাতের বিষয়টি সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুলছে।