গাজীপুর সিটি নির্বাচন-পরাজয়ের পর হাসান সরকারের পাহাড়সম অভিযোগ উপস্থাপন

প্রকাশিত

মৃণাল চৌধুরী সৈকত :
বিএনপির মনোনিত মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার ২৬ জুন নির্বাচনে দ্বিগুন ভোটে পরাজয়ের পর গতকাল বুধবার সকালের তার আতœীয়সজন ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সান্তনা দিয়েছেন সেই সাথে নির্বাচনে পরাজয়ের কারন উপস্থাপন করতে গিয়ে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের কাছে পাহাড় সমান অভিযোগ করেছেন।
হাসান সরকার তার অভিযোগে জানান, নির্বাচন চলাকালীন সকাল ৭ টার পর থেকে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চার শতাধিক নির্বাচনী এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দিয়ে আটক করে। ভোট শেষে তাদেরকে ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন স্থানে ছেড়ে দেয়। এ কারণে অধিকাংশ কেন্দ্রে ধানের শীষের কোন এজেন্ট ছিল না। ধানের শীষের এজেন্ট হিসেবে যারা কেন্দ্রে ছিল তারা সকলেই আওয়ামীলীগের লোক। এজেন্টদের কাছ থেকে কার্ড ছিনিয়ে তারা কেন্দ্রে অবস্থান করে নিজেদের ধানের শীষের এজেন্ট পরিচয় দিয়েছে।
তিনি জানান, উচ্চ আদালত যদিও কোন নেতাকর্মীকে আটকসহ হয়রানি না করার জন্য নির্দেশ নির্দেশ দিয়েছিলো। ওই নির্দেশের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন এক গ্রেজেটে একই নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই নির্দেশ অমান্য করে নেতাকর্মীদের আটক করায় এটাকে আদালত অবমাননা বলে মনে করেন হাসান সরকার। কেন আদালত অবমাননা করলো এর ব্যাখ্যা চাইতে উচ্চ আদালতে যাবেন বলে জানান তিনি। ফলাফল নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবেন কি না এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা দলীয় সিদ্ধান্তের ব্যাপার। দল যে সিদ্ধান্ত দিবে আমি সেই মোতাবেক কাজ করবো।
উল্লেখ্য ২৬ জুন ২০১৮ ইং সকাল ৮া থেকে বিলে ৪ টা পর্যন্ত গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৪২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪১৬টি কেন্দ্রে ২ লাখ ২ হাজার ৩৯৯ ভোট বেশি পেয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়ে নগর পিতা হিসেবে আসিন হলেন। এসব কেন্দ্রে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৪ লাখ ১০ ভোট আর বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার পেয়েছেন এক লাখ ৯৭ হাজার ৬১১ ভোট।
##