গোলপ্রতি ২৫ লাখ, বিদায় ওয়েডসনের

প্রকাশিত

ঢাকা মাঠে গোলমেশিনই নামেই ডাকা হতো হাইতিয়ান স্ট্রাইকার ওয়েডসন এনসেলমেকে। শেখ জামালের জার্সিতে দুই মৌসুমে হয়েছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতা। ২৬ গোল করে ২০১৩-১৪ লিগে আরেকটু হলেই সালাম মুর্শেদীর ২৭ গোলের রেকর্ড ভেঙে ফেলতেন। ১৯৮২ সালের লিগে মোহামেডানের হয়ে সালামের করা ২৭ গোল এ দেশের ঘরোয়া ফুটবলে কোনো খেলোয়াড়ের করা সর্বোচ্চ গোল। পরের মৌসুমে করেছিলেন ১৮ গোল। কিন্তু সেই ওয়েডসনই এবার সাইফ স্পোর্টিংয়ের জার্সিতে ব্যর্থ। গোল পেয়েছেন মাত্র ২টি। অগত্যা এএফসি কাপ সামনে রেখে তাঁকে ছেড়েই দিচ্ছে ক্লাবটি। অথচ তাঁকেই মৌসুমের শুরুতে ৫০ লাখ টাকায় দলে ভিড়িয়েছিল প্রিমিয়ার লিগের এই নতুন শক্তি।

২০১৫-১৬ মৌসুমের মধ্যবর্তী দলবদলে শেখ জামাল ছেড়ে ভারতের ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে নাম লিখিয়ে ছিলেন ওয়েডসন। কিন্তু সেখানে সুবিধা করতে পারেননি। ঢাকার মাঠে খ্যাতি অনূদিত হয়নি ভারতে। এর পরপরই সাইফে যোগ দেন এই হাইতিয়ান। এবারের লিগে সাইফের হয়ে ছয়টি ম্যাচে ছিলেন একাদশে; তুলে নিতে হয়েছে তিন ম্যাচেই। হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর তাঁকে নিয়ে এএফসি কাপে খেলতে যাওয়ার কারণই দেখছে না সাইফ। তাঁর বদলে নেওয়া হয়েছে মোহামেডানের নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার এনকোচা কিংসলেকে।
ওয়েডসন ছাড়া চোটের জন্য দল থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে কলম্বিয়ান স্ট্রাইকার হ্যাম্বার ভ্যালেন্সিয়াকে। তবে ফিরিয়ে আনা হয়েছে কলম্বিয়ান মিডফিল্ডার আন্দ্রেসকে। এশিয়ান কোটায় উজবেক মিডফিল্ডার আখরো দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন কিছুদিন আগে। এই মুহূর্তে সাইফের চার বিদেশি হচ্ছেন—ইংলিশ ফুটবলার চার্লি শেরিংহাম, আন্দ্রেস, আখরো ও কিংসলে। এ ছাড়া দেশি ফুটবলারদের মধ্যে দলে নেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনীর গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা, ডিফেন্ডার সুশান্ত ত্রিপুরা, নুরুল নাঈম ফয়সাল, মিডফিল্ডার আবদুল্লাহ, সোহেল রানা, মাসুক মিয়া জনি ও জাহিদ হোসেনকে।
২৩ জানুয়ারি ঢাকায় এএফসি কাপের প্লে অফে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টস ক্লাবের বিপক্ষে মাঠে নামবে সাইফ। মালেতে ফিরতি লিগের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৯ জানুয়ারি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে সাইফের আর একটি ম্যাচ বাকি। প্রতিপক্ষ রহমতগঞ্জ এমএফএস।