গৌরনদীতে এক কাউন্সিলর প্রার্থী ও তার সমর্থকদের হামলায় নারীসহ অপর কাউন্সিলর প্রার্থীর ৪ সমর্থক আহত ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

প্রকাশিত

গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি
বরিশালের গৌরনদী পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দি কাউন্সিলর প্রার্থী ও তার সমর্থকদের হামলায় নারীসহ অপর কাউন্সিলর প্রার্থীর অন্তত ৪ জন সমর্থক আহত হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় তিব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানাগেছে, তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিতব্য এ পৌরসভা নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী, বর্তমান কাউন্সিলর ও গৌরনদী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আতিকুর রহমান শামীমের সমর্থক মোঃ ফারুক উকিল এর সাথে নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অপর প্রতিদ্বন্ধি কাউন্সিলর প্রার্থী সরকারী গৌরনদী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মোঃ সুমন মাহামুদ ওরফে সুমন মোল্লা সমর্থক কয়েকজন নারী সমর্থকের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
কাউন্সিলর আতিকুর রহমান শামীম অভিযোগ করেন, তার প্রতিদ্বন্দি কাউন্সিলর প্রার্থী সুমন মোল্লা ও তার সমর্থকরা মিলে ফারুক উকিলের ওপর অতর্কিতে হামলা চালিয়েছে। এতে ফারুকের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে যখম হয়। খবর পেয়ে কাউন্সিলর শামীমের সমর্থক ও ফারুকের স্বজনরা মিলে ফারুককে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে হামলা কারীরা তাদেরকেও আক্রমন করে। এ হামলায় ফারুক উকিলের ছেলে রিমন উকিল (১৬), তাদের স্বজন খাদিজা বেগম (৩৫) লাকি বেগম (২৭) আহত হয়।
হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিদ্বন্দি কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন মাহামুদ ওরফে সুমন মোল্লা বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতার কোন বিষয় নিয়ে সেখানে কোন ঘটনা ঘটেনি। ফারুক উকিল পেশাদার গাঁজা ব্যবসায়ী। বৃহম্পতিবার দুপুরে পুলিশ তাকে আটক করেছিল। কাউন্সিলর শামীম তাকে পুলিশের হাত থেকে ছাড়িয়ে দেয়। তাকে আটকের ঘটনায় আমার মা চাচিদেরকে দায়ী করে ফারুক উকিল তাদের সাথে অসালীন আচরন করে। মা চাচিরা এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ধাও-ই হয়।
গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আফজাল হোসেন জানান, মারামারির ঘটনায় আহত ভিকটিম হাসপাতালে আছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।