ঘৃণা-স্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা রাজাকারদের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যারা প্রত্যক্ষভাবে বাংলাদেশ সৃষ্টির বিরোধিতা করেছে এবং যারা হত্যা, ধর্ষণ, লুঠপাটসহ নানা ধরনের অপরাধে সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশের জন্য একটি ঘৃণা-স্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জানান, এ ঘৃণা-স্তম্ভ তৈরির প্রশ্নে ইতোমধ্যেই একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি স্তম্ভের নকশার জন্য একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে, যার মধ্য দিয়ে সেরা নকশাটিকে বাছাই করা হবে। আগস্টের মধ্যে এ ঘৃণা-স্তম্ভের নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মকে জানানোর তাগিদ থেকেই এ ঘৃণা-স্তম্ভ নির্মাণ করা হচ্ছে।’ রাজধানী ঢাকার কোনো এক জায়গায় এ ঘৃণা-স্তম্ভটিকে স্থাপন করা হবেন। তবে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য জায়গাতেও একই ধরনের স্তম্ভ নির্মাণ করা হতে পারে বলে তিনি জানান। কিন্তু এ ঘৃণা-স্তম্ভের মধ্য দিয়ে সরকার কেন স্বাধীনতা-বিরোধীদের অমর করে রাখতে চাইছে, এ প্রশ্নে জবাবে আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক বলছেন, যারা সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশের জন্মের বিরোধিতা করেছে, তারা এখনো সক্রিয়। বিরোধী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন নেতৃত্বের প্রতি ইঙ্গিত করে মোজাম্মেল হক বলেন, তারা নানা ধরনের দুষ্কর্ম করেছে, খুন-জখম, লুঠপাট করেছে, মানুষের ঘরে আগুন দিয়েছে। নারী ধর্ষণ করেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা এ নিয়ে কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেনি। তারা বলুক তারা অনুতপ্ত। তারা বলুক বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতি তারা অনুগত।