চট্রগ্রামের পাহাড়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের কাছে এখনো ত্রাণ পৌছতে পারেনি !

প্রকাশিত
রাজস্থলী রাংগামটি প্রতিনিধি-  পার্বত্য চট্রগ্রাম অরণ্য প্রকৃতি  সবুজ পাহাড় ঘেরা নদী খাল বিল নিয়ে রাংগামাটি খাগড়াছড়ি বান্দরবন জেলায় বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত।  এক পোষন করছি পাহাড়ে অনেক এলাকাতে ছিটিয়ে ছড়িয়ে দূর্গম পাহাড়ের বসবাসরত ১১  ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রা খাবারের জন্য অনেক সংকট  কস্ট সন্মুখে আছে। প্রতি মূর্হুতে বেঁচে থাকার সংগ্রামের এক অবিচল দেখা যায়। খবর পেয়েছি অনেক পাহাড়ে গ্রামে এখনো সঠিক ভাবে ত্রাণ পৌছেনি কেন? বিবেকের কাছে প্রশ্ন করছি। কেউ বা হাহা করে খাবারে জন্য খোলা আকাশের নিচে তাকিয়ে দেখছি। যা বিভিন্ন প্রিন্ট ইলেকট্রনিকস খবরে দুচোখে দেখা যায়। খুবই নিরুপায় দু:খের সাথে বলছি। সংশ্লিষ্ট যারা ত্রাণ কাজে নিয়োজিত আছে ভৌগোলিক অনুযায়ী ম্যাপ অনুযায়ী বিভিন্ন গ্রামে দ্রুত ত্রাণ অতিসীঘ্রই পৌছানোর জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। পাহাড়ের পিছিয়ে অরণ্য পাহাড়ের সুবিধা বঞ্চিত দের কে প্রথমে ত্রাণ অগ্রধিকার দেয়া উচিত বলে মনে করছি। একদিকে তারা দূর্গম পাহাড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকায় সারা জীবন ভরা বসবাস করে দিন যায় রাত যায় তাদের ছোট্র জীবনের বেঁচে থাকার সংগ্রাম অবিচল। তারা সচেতন তেমন  নয় শি ক্ষা দী ক্ষা দিয়ে অনেক পিছিয়ে পড়ে আছে তাদের ধ্যান্ত ধারণা ও অনেক বুঝার বাকি বাস্তবে জীবনে দেখা যায়। তাদের একমাত্র ঝুম চাষাবাদের উপর নিভর্রশীল হয়ে পড়ে। কিন্তু ঝুম চাঁষাবাদের বাধা সৃস্টি কারণে তেমন অাগে মত চেয়ে  ঝুম চাঁষাবাদ কমে গেছে যা বর্তমানে দেখা যায়।
একদিকে সারাদেশব্যাপী লংক ডাউন চলমান বজায় রাখা লাগে। তাদের বেঁচে থাকার জীবন এখন করুন দাঁড়ায়।  যা বাস্তবে  সরেজমিনে না দেখলে বুঝতে পারবে না। সকলে তাদের পাশে দাড়িয়ে মানবতায় সেবাই হাত বাঁড়ান।  দু:স্থ পরিবার হতে কিছুটা হলে ও পরিত্রাণ পেতে চাই বলে এক ম্রো সম্প্রদায় প্রবীন নেতা নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক সাংবাদিককে জানান।  এরা ও মৌলিক অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই। সামাজিক  ও দুরুত রাখা সকলে নিজ দায়িত্ববান মনে করি। আর অন্য দিকে কিছু কিছু পাহাড়ে এলাকাতে  তারা সামাজিক দুরুত এখনো কিছু জানিনা এবং ভূল ধারণা রয়ে গেছে। অনেক সময় তেমন যেকোন কাজে সচেতন নেই বলে জানা যায় বেশি ভাগ ম্রো সম্প্রদায় মাঝে দেখি। এখনো অন্ধ জীবন নিয়ে বসবাস করছে। তাদের আদি অার্থসামাজিক বৈচিত্রকে এখনো ধরে রেখেছে বলে এক প্রবীন খুমি নারী নাম প্রবীন সাংবাদিককে জানান। তারা দূর্গম পাহাড়ের বসবাস করতে তাদের পছন্দ বোধ করছে কোন হৈচৈ জায়গা বসবাস করতে পছন্দ করছে না। তাদের আদি সংস্কৃতি কে বেশির প্রাধান্য দিয়ে বা মেনে চলতে বেশি পছন্দ করতে দেখা যায়।  তারা পূর্বে আদিকালকে মনে প্রাণে ভালোবেসে যেতে চাই। এরা দূর্গম পাহাড়ের মাচং ঘরে ও বসবাস করতে চাই। এরা প্রকৃতির সাথে লড়াই করে বাঁচে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রা পার্বত্য চট্রগ্রামের আদিকাল হতে বসবাস করে আসছে।