চাঁদাবাজি মামলার আতঙ্কে তালতলীর এক অসহায় পরিবার

প্রকাশিত

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
এক বছর প্রেমের সম্পর্কের পর পালিয়ে বিয়ে করে নজরুল ও রোজিনা। বিয়ের আট’মাস না পেরুতেই বিয়ে অস্বীকার করায় ও ভাগিনা সোহাগা কে দিয়ে চাঁদাবাঁজি মামলা দিয়ে হয়রানী করছে রোজিনা ও তার পরিবারকে। জীবনাসের হুমকি ও মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলার ভয় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে বরগুনার তালতলী এক অসহায় পরিবারের।
জানা গেছে, উপজেলার তেতুলবাড়িয়া গ্রামের সোহরাপ হাং’র মেয়ে রোজিনা বেগম এর সাথে তার বাড়ি পশে একই গ্রামের সেকান্দার আলী’র ছেলে নজরুলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ১ বছর প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৭ সালের ৩১ডিসেম্বর মাসে বরগুনা পৌরসভার মু.আনিসুর রহমান ভূইয়া’র অফিসে ২ লক্ষ টাকার দেনমোহরে নিকাহ রেজিস্ট্রি করেন। বিয়ের পর রোজিনা চলতি বছর বিদেশ চলে যায় । ৮মাস পরে রোজিনা দেশে আসলে নজরুল টালবাহানা শুরু করে । বিদেশ থাকা আবস্থায় রোজিনা কাছ থেকে ২ লক্ষটাকা হাতিয়ে নেয় নজরুল । এক পর্যায় রোজিনা স্বামীর অধিকার আদায় করতে নজরুলের কাবিননামা নিয়ে তার দোকানে যায় গিয়ে দেখে তার ভাগিনা সোহাগ দোকানে বসা পরে স্বামী নজরুল ও তার ভাই হিরন সহ তিন চারজন মিলে রোজিনাকে লাঞ্চিত করে সেখান থেকে পাঠিয়ে দেয়। পরে এই ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নজরুলের ভাগিনাকে দিয়ে ঘটনার ৪ দিন পরে ১৬ তারিখ দোকান মালিক সোহাগকে বানিয়ে রোজিনার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ৩ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজি মামলা করায় নজরুল। এর পরও থামে থাকেনি নজরুল ও তার পরিবারের লোকজন ভিবিন্ন সময়ে রোজিনার পরিবারকে জীবনাসের ও গ্রাম ছাড়া করার হুমকী দেয়। জীবনাসের হুমকি ও মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলার ভয় আতঙ্ক বিরাজ করছে এই অসহায় পরিবারের ভিতর।
চাঁদাবাজি মামলার বাদী সোহাগের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার দোকানের কাছে এসে রোজিনাসহ তার ভাই ও মা,বাবা ৩ লক্ষ চাঁদা দাবি করছে। তাই আমি তাদের বিরুদ্ধে আমি চাঁদাবাঁজি মামলা করেছি।
ভুক্তভুগি রোজিনা বলেন স্বামীর অধিকার আদায়’র জন্য নজরুলে কাছে গেলে স্বামী ও ভাগিনা এবং ভাই আমাকে মারধর করে তারিয়ে দেয় । পরে আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাঁজি মামলা দিয়ে হয়রানি করছে এবং আমি ও আমার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয় এবং গ্রাম ছাড়ার জন্য বলে ।