চায়না বসবাস রত বিদেশি নাগরিকরা কোভিড ১৯ ভেক্সিনের জন্য আবেদন করতে পারবেন 

প্রকাশিত
মাসুদ রানা , চায়না প্রতিনিধি : ২০২০ সালে কোভিড ১৯ চায়না উহান শহরে প্রথম সনাক্ত হলে চায়না কতৃপক্ষ বেশ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেন । যখন কোভিড ১৯ মহামারী আকার ধারণ করে তখনই চায়না উহার শহরে লকডাউন ঘোষণা করেন । একে একে সমস্ত রাজ্য ও দেশকে লকডাউন ঘোষণা করেন । যখন মহামারী আকার ধারণ করে তখনই চায়নায় অবস্থান রত সকল বিদেশি নাগরিকদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য জানানো হয় । কিন্তু দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে তারা চায়নাতে ফিরে যাওয়ার জন্য কোন আশার আলো দেখছিলো না । যখন চায়নাতে চায়না ভেক্সিন দেওয়ার কথা চলছে তখনই চায়নায় বসবাস রত বিদেশি নাগরিকরা তারাও ভেক্সিন নিতে চেয়েছেন সাথে সাথে চায়না সীমান্ত অবাধ চলাচল ও জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করতে বিদেশি নাগরিকদের ভেক্সিন দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন । তবে বিদেশি নাগরিকদের ভেক্সিন নিতে হলে তিনি যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত সেই প্রতিষ্ঠানে ভেক্সিনের জন্য নিবন্ধন করতে হবে । ২০২১ সালে বসন্ত উৎসবের আগে চীন ৫০ মিলিয়ন মানুষের টিকা দেওয়ার জন্য দক্ষিণ চীনের বেইজিং, শাংহায়, শেনজেন ও কুয়াংডন শহরে চিকিৎসা – কর্মীরা নয়টি দলে বিভক্ত হয়ে শৃঙ্খলের মধ্যে দিয়ে ইনকুলেশন শুরু করেছে ।
উক্ত শহরের স্বাস্থ্য কতৃপক্ষ বলেছেন তারা জাতীয়তা সহ সকলের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করবে । বিদেশি নাগরিকরা যারা উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে তাদের‌ও টিকাদানে অগ্রধিকার দেওয়া হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না শিল্প তত্ত্বাবধান সরকার তাদের জন্য একীকরণ না করতে পারে ।
গুয়াংজু থেকে ভিন্ন, দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের সিচুয়ান প্রদেশ চেংডুর মতো কয়েকটি শহরের কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলি দাবি করেছে যে চীনা গ্রিন কার্ডবিহীন বিদেশী নাগরিকরা সাময়িকভাবে কোন সিভিড -19 ভ্যাকসিনের জন্য নিবন্ধন করতে পারছেন না। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদেশীরা কিছু শহরে টিকা দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন এবং বেইজিং, গুয়াংজু এবং শেনজেনের মতো শহরগুলি জাতীয়তা নির্বিশেষে মূল গ্রুপগুলিতে ভ্যাকসিন দিচ্ছে।
নয়টি মূল গ্রুপে চিকিৎসা, কোল্ড-চেইন, খাদ্য এবং রসদ খাতের শ্রমিকরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিদেশিদের পাসপোর্ট নং সুরক্ষা ট্র্যাকিংয়ের জন্য ভ্যাকসিন কোডের নাম্বার নিবন্ধন করবেন।
গুয়াংজু জরুরীতার প্রমাণ সহ বিদেশীদের একটি ডোজের জন্য আবেদন করার অনুমতি দিয়েছে।