ছাত্রলীগকর্মী খুন: সিলেটের ২ কলেজ অচল

প্রকাশিত

সিলেটে ছাত্রলীগকর্মী তানিম খান হত্যার পর ছাত্রলীগকর্মীদের বিক্ষোভের মুখে সিলেট সরকারি কলেজ ও এমসি কলেজের সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। সোমবার সকাল থেকে পাশাপাশি অবস্থিত সিলেট সরকারি কলেজ ও এমসি কলেজে ধর্মঘট ঘোষণা করে বেনামে কিছু লিফলেট ছাড়ানো হয়। আর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ছাত্রলীগকর্মীরা সিলেট সরকারি কলেজের সামনে সিলেট-তামাবিল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়।

স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতারা নাম না জানিয়ে বলেন, রোববার রাত ৯টার দিকে টিলাগড় এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় সিলেট সরকারি কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগকর্মী তামিম খানকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। টিলাগড় এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক রণজিৎ সরকার এবং মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের দুইটি পক্ষ তৎপরতা চালাচ্ছে। এরই গত ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় তারা। এ সংঘর্ষের জেরেই তানিম খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিরণ মাহমুদ নিপু বলেন, তানিম ছিলেন রণজিৎ পক্ষের কর্মী। অধিপত্য বিস্তারের জন্য প্রতিপক্ষ তাকে হত্যা করেছে।

ধর্মঘট সম্পর্কে এমসি কলেজের অধ্যক্ষ নিতাইচন্দ্র চন্দ বলেন, “সোমবার ছাত্ররা কলেজে ধর্মঘট ডাকায় কোনো ক্লাস-পরীক্ষা হয়নি।” তবে কারা ধর্মঘট ডেকেছে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারেননি। সিলেট সরকারি কলেজে গিয়েও সবকিছু বন্ধ দেখা গেছে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার এম এ ওয়াহাব। তিনি বলেন, “ছাত্রলীগকর্মীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলে পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেয়। “তানিম হত্যায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।”