ছাত্রলীগের ২ গ্রুপের সংঘর্ষে কুমেক বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশিত

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের (কুমেক) শেখ রাসেল ছাত্রাবাসে বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আহত দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরবর্তী পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম।

আগামী ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। কলেজের শিক্ষার্থীদের শুক্রবার বিকাল ৪টার মধ্যে ছাত্রাবাস ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ছাত্রাবাস ত্যাগের নির্দেশ দেয়ার পর, ক্যাম্পাস ছাড়তে শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মহসিনুজ্জামান।

আহতরা হলেন-তৌফিক আহমেদ, ইরফানুল হক, ফয়সাল আমিন (১৭), মনির হোসেন (১৭), ইফতেখার (২০), পিয়াল (১৭), তানিম নূর (১৭), পারভেজ (২০), সগির (২০) ও আশিষ দাস।

বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটায় কুমেক শেখ রাসেল ছাত্রাবাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের আবদুল হান্নান ও হাবীবুর রহমান পলাশ গ্রুপের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত তৌফিক আহমেদকে ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে এবং ইরফানুল হককে ঢাকা মেডিকেল কলেজে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

আহত অন্যদের কুমেক ও নগরীর বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ঘটনা তদন্তে কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।