ছাত্রীকে ৮ দিন আটকে রেখে ধর্ষণচেষ্টায় ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতার নামে মামলা

প্রকাশিত

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি-

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ৮ দিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমানসহ এক প্রবাসীর স্ত্রীর নামে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগে পুলিশ বিদেশ প্রবাসীর স্ত্রী আয়শা খাতুনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার পর থেকে ছাত্রলীগ নেতা হাফিজুর রহমান পালাতক রয়েছে। হাফিজুর রহমান গোপালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ সরদারের ছেলে।

শ্যামনগর থানার ওসি আনিসুর রহমান জানান, কৈইখালি এস আর মাধ্যমিক স্কুলের ৮ম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সাথে ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে গত ১৮ আগস্ট তাকে তুলে নিয়ে যায় সাবেক শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান। মেয়েটি নিখোঁজ হওয়ার পর ওই দিনেই মেয়েটির দাদা গহর আলী শ্যামনর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে।

সোমবার রাতে উপজেলার গোপালপুর এলাকার প্রবাসী রঞ্জুর স্ত্রী আয়শা খাতুনের বাড়ি থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম পুলিশের অভিযান টের পেয়ে ছাদ থেকে লাফিয়ে পালিয়ে যায়। পরে বাড়ির মালিক গৃহবধূ আয়েশা খাতুনকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর দাদা গহর আলী বাদি হয়ে ছাত্রলীগ নেতা হাফিজুর রহমানের নামে নির্যাতন ও ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করেন। মামলা নাম্বর-২৮।

পুলিশ এবং মেয়েটির পরিবার আরও জানায়, ফেসবুকের মাধ্যমে হাফিজুলের সাথে পরিচয় হয়। একটা সময় প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাদের মধ্যে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ১৮ আগস্ট  বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় হাফিজুল। এরপর গোপালপুর এলাকায় প্রবাসী রঞ্জুর বাড়িতে টানা আট দিন রেখে জোর পূর্বক শারীরিক নির্যাতন করে হাফিজুল। এসব কাজে সহযোগিতা করে প্রবাসীর স্ত্রী আয়েশা খাতুন।