টঙ্গীতে অটোরিক্সা ইজিবাইক বন্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

প্রকাশিত

তুহিন সারোয়ার- মহাসড়কগুলোতে গত ১লা সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা ইজিবাইক যানচলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গীর অটোরিকশা মালিক শ্রমিকরা।

আজ বিকেল ৪ টার দিকে গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী ৪৯ নং ওয়ার্ড দত্তপাড়া দিঘিরপাড় এলাকায় প্রায় ৫ শতাধিক অটোরিকশা মালিক শ্রমিকরা এই বিক্ষোভ কর্মসুচিতে অশংগ্রহন করেন।অটোরিকশা মালিকরা বলছেন, অনেক টাকা লোন নিয়ে অটোরিকশা কিনেছি। সেটা যদি সরকারি এই সিদ্ধান্তের জন্য বন্ধ রাখতে হয়, তবে আমরা তো পথে বসব। কী করে পরিশোধ করব লোনের টাকা! সরকার অবস্থান থেকে সরে না এলে কঠোর আন্দোলনে যাবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।এরশাদনগরের ইজিবাইক মালিক কে,এম আরিফুল ইসলাম-বলেনঃ-মহাসড়কে অটোরিক্সা চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে সরকার শ্রমজীবী মানুষের রুটি রুজির উপর আঘাত করেছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে সারাদেশে প্রায় দশ লাখ মানুষ বেকার হয়ে যাবে, যা দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এরশাদনগরের ইজিবাইক মালিক আপেল -বলেনঃ-সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে তাঁদের এখন পথে বসতে হবে। কারণ, মহাসড়কে কোথাও অটোরিকশা চালানো যাবে না। ব্যাংক লোন এবং সমিতির কাছে লোন নিয়ে ও কিস্তিতে তাঁরা গাড়ি কিনেছেন। কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্তে ঋণের টাকা পরিশোধের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সিদ্ধান্ত বাতিল না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার কথা বলেন তিনি।

ইজিবাইক মালিক আলাউদ্দিন বলেন,আমরা্ও চাই মহাসড়কে কেন কোন সড়কেই যেন দুর্ঘটনা না হয়। অটোরিকশা চলাচলে বিকল্প ব্যবস্থা না করে দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কে এইসব ছোট ও হাল্কা যান বন্ধ করায় সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়বে। একই সঙ্গে মহাসড়কে এইসব যান চলাচল বন্ধ হলে রুট ও যাত্রী কমে গিয়ে এই ছোট পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত অন্তত ১০ হাজার পরিবারে দুর্ভোগ নেমে আসবে।

টঙ্গী ৪৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগ এর যুগ্ন সাধারন সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন,মহাসড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশা বন্ধ হওয়ায় গাজীপুরের কয়েকটি রুটে জনদুর্ভোগ বেড়েছে।এদিকে টঙ্গী এলাকায় অবস্থিত সরকারী হাসপাতালে যাওয়ার জন্য এলাকার যে কোন স্থান থেকে মহাসড়ক ধরে যেতে হয়। প্রতিনিয়ত সরকারী হাসপাতালে  রোগী ও স্বজনদের যেতে হয়। এ ছাড়াও জরুরী রোগী বহনে ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা ব্যবহার হয় বেশি। এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া বহনের ক্ষমতা সাধারণের থাকে না। তা ছাড়া সব সময় এ্যাস্বুলেন্স মেলেও না।