টঙ্গীতে যুবলীগের নাম ভাঙিয়ে লাখ টাকা চাঁদাবাজিৱ অভিযোগ

প্রকাশিত

  • টঙ্গীতে যুবলীগের নাম ভাঙিয়ে লাখ টাকা চাঁদাবাজিৱ অভিযোগ

নাঈমুল হাসান, টঙ্গী :

 

টঙ্গীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালের দেয়াল ঘেঁষে স্থানীয় প্রশাসনের নাকের ডগায় হকার্সলীগ ও যুবলীগের নামধারী কতিপয় নেতাকর্মী ফুটপাত দখল করে অবৈধ দোকানপাট, টেম্পো ষ্ট্যান্ড, সিএনজি ষ্ট্যান্ড বসিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী-গাজীপুর চৌরাস্তা ও টঙ্গী-কালিগঞ্জ সড়কসহ আশপাশের সড়কগুলোতে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। তীব্র এ যানজটে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। সরকারি হাসপাতাল গেটে যানবাহন জটলা বেঁধে থাকায় মূর্মুষূ রোগীরা সময়মত হাসপাতালে ঢুকতে পারছে না। এতে অনেকেই হাসপাতাল গেটে মৃত্যুর মুখে পতিত হচ্ছেন। সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বেশ কয়েকবার যানজট ও সড়ক দূর্ঘটনা এড়াতে অবৈধ দোকান ও স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হলেও টঙ্গী থানা পুলিশের সহায়তায় সুবিধাভোগী ওইসব নেতা দলের নাম ভাঙ্গিয়ে পুণরায় প্রতিটি দোকান থেকে অফেরতযোগ্য ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা হারে প্রায় শতাধিক দোকান ও ষ্ট্যান্ড থেকে এককালিন প্রায় ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তাছাড়া প্রতিটি চা দোকান, কাঁচা তরিতরকারি ও মাছের দোকান, ফলের দোকান থেকে দৈনিক ২শ’ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের একজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হয়েও সোলেমান তার নিজস্ব বাহিনী দিয়ে নিয়মিত চাঁদাবাজি করে আসছে। টঙ্গী থানার মূল ফটকে গড়ে কয়েকশ ইজিবাইক থেকে চাঁদাবাজদের দাপটে এলাকায় সিএনজি চালানোও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে অনেক সিএনজি চালক অভিযোগ করেছেন। থানার প্রধান ফটকে গড়ে ওঠা অবৈধ ইজিবাইক ও সিএনজি ষ্ট্যান্ড ও অবৈধ এসব দোকানপাট তৈরী করায় স্থানীয় প্রশাসনের ভাবমূর্তি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে ইজিবাইক চালক সোহেল রানা ক্ষোভের সাথে বলেন, ইজিবাইকের ভাড়া মারতে পারি বা না পারি তাদেরকে প্রতিদিন ৫০ টাকা করে দিতেই হবে। প্রতিমাসে এককালীন ৩শ টাকা করে জমা দিতে হয়। তানা হলে থানার পেছনের স্ট্যান্ডে গাড়ি রাখতে দিবে না।

তবে চাঁদা উত্তোলনকারী সোলেমান বলেন, দল ক্ষমতায় তাই একটু আধটু করি, মানুষদের সুবিধার্থেই এসব দোকান পাট ও সিএনজি ষ্ট্যান্ড করেছি।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে টঙ্গী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.ফিরোজ তালুকদার পুলিশের টাকা গ্রহণের বিষয়টি অস্বিকার করে বলেন, দ্রুতই এসব স্থাপনা উচ্ছেদে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
যোগাযোগ করা হলে গাজীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, টঙ্গীর ব্যবস্থতম সড়ক মহাসড়কে অবৈধভাবে গড়ে তোলা ইজিবাইক, সিএনজি ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড ইতিপূবে বেশ কয়েকবার উচ্ছেদ করেছি। কিছুদিন পরই পুণরায় ওইসব জায়গায় স্ট্যান্ড গড়ে তোলে। সড়কের গুরুত্বপূর্ণস্থানগুলোতে যাতে অবৈধভাবে স্ট্যান্ড গড়ে তোলতে না পারে সেজন্য সহযোগি কিছু পুলিশ মোতায়েন করার চিন্তভাবনা আমাদের রয়েছে

Be the first to write a comment.

Leave a Reply