টাঙ্গাইল মির্জাপুরে শওকত আলী,আদালতের স্থিতাবস্থা অমাণ্য করে স্থাপনা নির্মাণ

প্রকাশিত

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:-
টাঙ্গাইল মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই মোমিননগর এলাকায় ভূমি দস্যু শওকত আদালতের স্থিতাবস্থা অমাণ্য করে ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গায় প্রভাব খাঁটিয়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করছে । একই সাথে ওই জমির মালিককে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয় রানি করা হচ্ছে বলে শনিবার (২৭জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়।

খোরশেদ আলমের পক্ষে তার ভাতিজা আবু সাদেক মোহাম্মদ মুসা সংবাদ সম্মেলনে বলেন,টাঙ্গাইল মির্জাপুরে যুঁই যুথি ফিলিং স্টেশনের মালিক হুমায়ূন কবির ও তার ছোট ভাই শওকত আলী মালিকানাধীন জায়গায় প্রভাব খাঁটিয়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করছে।
মোহাম্মদ মুসা আরো বলেন, গোড়াই মোমিন নগর মৌজায় ১২ শতাংশ জায়গায় ১৯৮৬ সালে প্রস্তাবিত মার্কেটে বাসা-বাড়ি নির্মাণ করে। ভাড়াটিয়ার মাধ্যমে ভোগ দখল করছেন। ওই জমি নিয়ে ২০০২ সালে মির্জাপুরের সিনিয়র জজ আদালতে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেন একই গ্রামের হুমায়ুন কবির। বিগত ২০১২ সালে ওই জমি দখল করার চেষ্টা করেন হুমায়ুন। তখন খোরশেদ আলম স্থাপনা নির্মাণে
স্থিতাবস্থা চেয়ে একই আদালতে আবেদন করলে আদালত ২০১২ সালের(২৪জানুয়ারি) মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয়। কিন্তু সে নির্দেশ অমাণ্য করে হুমায়ুন কবির ও শওকত আলী লোকজন নিয়ে অবৈধ ভাবে স্থাপনা নির্মাণ করছে।
আবু সাদেক মোহাম্মদ মুসা সংবাদ সম্মেলনে বলেন,হুমায়ুন কবির ও তার ছোট ভাই শওকত আলী আদালতের আদেশ অমাণ্য করে স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে। সেই সাথে তারা রাজতৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে আমাদের নানা ভাবে হয় রানি করছে।
এ প্রসঙ্গে শওকত আলীর সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,এগুলি সব ভিত্তিহীন। পরে তিনি বলেন,খোরশেদ আলমের বাবা আমার বাবাকে লিখে দিয়েছিল।