ডিমেরিট পয়েন্ট পেল মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে স্টেডিয়াম

প্রকাশিত

ক্রীড়া ডেস্ক :মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্ট তৃতীয় দিনেই শেষ হয়ে যায়। মিরপুরের পিচ থেকে বোলাররা সুবিধা পেলেও ব্যাটসম্যানরা তাদের স্বাভাবিক স্কিলটাও প্রদর্শন করতে পারেননি। তিনদিনে ৪০ উইকেট হারিয়ে মিরপুরের পিচে উঠেছিল মাত্র ৬৮১ রান। বাংলাদেশ হেরেছিল ২১৫ রানের ব্যবধানে। যেখানে রোশেন সিলভার করা অপরাজিত ৭০ রান ছিল সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ।

সে কারণে আইসিসির এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন তার প্রতিবেদনে মিরপুরের পিচকে ‘বিলো অ্যাভারেজ’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার দেওয়া প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে মিরপুর স্টেডিয়ামকে ১টি ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছে আইসিসির পিচ এন্ড আউটফিল্ড মনিটরিং কমিটি। যা পাঁচ বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের সময় ২টি ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছিল মিরপুর। তাতে মিরপুরের মোট ডিমেরিট পয়েন্ট হয়েছে ৩। পরবর্তী চার বছরের মধ্যে আরো ২টি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে ১২ মাসের জন্য আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের যোগ্যতা হারাবে মিরপুর স্টেডিয়াম।

পিচ নিয়ে মোট ছয় ধরনের রেটিং আছে। এই ছয়টি রেটিং হচ্ছে যথাক্রমে: ১. ভেরি গুড (খুব ভালো), ২. গুড (ভালো), ৩. অ্যাভারেজ (গড়পড়তা), ৪. বিলো অ্যাভারেজ (গড়পড়তার চেয়ে খারাপ), ৫. পুওর (খারাপ), ৬. আনফিট (খেলার অযোগ্য)।

পিচের নিয়ম এ বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে চালু হয়েছে। মাত্র দুই মাসের মধ্যেই মিরপুর পেল ডিমেরিট পয়েন্ট। আগামী চার বছরে যদি আরো ২টি ডিমেরিট পয়েন্ট পায় তাহলে হোম অব ক্রিকেট খ্যাত মিরপুরে ১২ মাসের জন্য হবে না কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ।

বলার অপেক্ষা রাখে না আইসিসি কড়া এক বার্তা দিল বিসিবিকে।