দীর্ঘ ৬ বছর পর এলাকার মানুষের মুখে হাসি। চলছে সড়ক উন্নয়নের কাজ।

প্রকাশিত

এস আর শানু খান-
মাগুরা ও নড়াইল পাশাপাশি দুইটি জেলা। দুই জেলার ভিতরে রয়েছে এক অন্য রকম যোগাযোগ মাধ্যম। নানা রকম গুরুত্ব কাজের জন্য এক জেলা একে অন্যের উপর নির্ভরশীল। দুইজেলার অনেক গুরুত্বপূর্ন একটি সড়ক হওয়া সত্বেও নড়াইল টু মাগুরা সড়কের বেহাশ দশা কাটছেই না কোনভাবে।সড়কটি অনেক আগেই তার উপযোগ হারিয়ে ফেললেও কর্তৃপক্ষের চোখে আঙ্গুল দিয়ে কেউ দেখাইনি আজও।মাঝে মাঝে সড়ক বিভাগের লোকজন এসে এখানে ওখানে পীচের পরিবর্তে একটু পোড়া মবিল কিংবা আলকাতরা মেরে জুড়াতালি দিয়ে বিদায় নয়।বেশিদিন লাগে না মাত্র কয়েকদিনেই রাস্তার অবস্থা আগের থেকে আরও কঠিন হয়ে পড়ে।এই রাস্তা নিয়ে দারুণ বিপাকে পড়েছেন সব সাধারণ জনতা। বিশেষ করে মাগুরা জেলার শালিখা থানাধীন গংগারামপুর বাজার থেকে মনোখালী মোড় পযর্ন্ত ৪ কিলোমিটারের রাস্তার অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে ভ্যান, ইজবাইক, সাইকেল পযর্ন্ত চালানো অসম্ভব হয়ে উঠেছে। মানুষের প্রয়োজনে বাজারে হেঁেট হেঁটে যেতে হয়। অটো ভ্যান চালকদের সাথে এই বিষয়ে কথা বললে তারা গভীর উদ্বেগের সাথে জানান যেখানে এই জোড়া টায়ার কিনলে ৬ মাস চলে যেত আরামছে সেখানে রাস্তার এমন অবস্থার জন্য দেড় মাস সর্বোচ্চ গেলেও ২ মাস যায় এক জোড়া টায়ার। আর এমন কোন দিন নাই যে এটা ওটা ভেঙ্গে না যায়। এ সকল প্রতিবদ্ধকতাকে পিছে ফেলে রাস্তার উন্নয়নের কাজ চলছে। রাস্তার উপরের স্তর শক্তিশালী মেশিন দিয়ে তুলে ফেলে তারপর করা হবে নতুন

 

রাস্তা। ভারি সব যন্ত্রপাতির উপস্থিতি ও রাস্তার উন্নয়নের কাজ মানুষকে হাসির জোয়ারে ভাসাচ্ছে। দ্বায়িত্বে থাকা সাব-কন্টাক্টরের সাথে কথা হলে তিনি জানান খুব দ্রুই রাস্তার কাজ শেষ হবে। কেননা প্রয়োজনের তুলনায় অধিক শ্রমিক ও উন্নত সব মেশিন খাটানো হচ্ছে। রাস্তার স্থায়িত্ব নিয়ে কথা তুলতেই তিনি বলেন এবার যেভাবে করা হচ্ছে আশা করা যাচ্ছে রাস্তা দীর্ঘ স্থায়িত্ব হবে। এবং মানুষ চলাচল করে শান্তি ভাবে।