দৌলতপুরের পরিচয় মিলেছে চিলমারী চরে বালি চাপা দেওয়া অজ্ঞাত লাশের! নেপথ্যে পরকীয়া

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারি ইউনিয়নে বাংলা বাজার নদীর ঘাট এলাকা থেকে বালির নীচে চাপা দেওয়া অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করে দৌলতপুর থানা পুলিশ। অজ্ঞাত ঐ যুবকের পরিচয় মিলেছে সে উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের সোনাইকুন্ডি তাজপুর গ্রামের নাহারুল ইসলামের ছেলে রনি উক্ত লাশ সম্পর্কে চিলমারি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে বাংলাবাজার নদীর ঘাট এলাকায় একটি কুকুর চরে বালির নিচে পুতে রাখা যুবকের লাশ উঠানের চেষ্টা কালে পথচারীরা দেখে ফেলে কিন্তু লাশটি চেনা যাচ্ছিল না। পুলিশে জানান হয়েছে। থানা পুলিশ জানায় ,একটি অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।ততোক্ষণ বিভিন্ন মিডিয়াতে খবরটি প্রচারিত হতে থাকলে। হুগলবাড়ি ইউনিয়নের তাজপুর ঘাটপাড়া গ্রামের নাহারুল ইসলাম থানাতে ছুটে আসেন এবং সনাক্ত করেন এটা তার ছেলে রনি(৩২)। সে ৯ দিন আগে নিখোঁজ হয়েছেন । এ ব্যাপারে গত ২৯/১/১৮ তারিখে থানাতে একটি জিডি করা হয়েছে। এ বিষয়ে এলাকাবসী জানান রনি সাথে প্রবাসী আফাজের স্ত্রীর সাথে রনির পরকিয়া গ্রামের অনেকে জানতো এ বিষয়ে এক বার শালিস হয়েছিল। রনির পিতা নাহারুল জানান আমার ছেলেকে তাজপুর ঘুনাপাড়ার নূরবক্স এর ছেলে প্রবাসী আফাজের স্ত্রীর সিমা বার বার নিষেধ করার পরে ফোন করতো মেলা মেশা করতো সেই আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। রনির মা রজিনা জানান আমার ছেলেকে সিমার কারনে খুন হতে হয়েছে। রনির ছোট বোন রুমি জানান আমার ভাই সিমার কথা মত চলাফেরা করতো আমরা ভাইকে সব সময় ফোন করতো। এ বিষয়ে সিমার যা শিল্পী জানান সম্পর্ক ছিল বলে এই ঘটনা ঘটেছে প্রায় ৪ বছর রনির সাথে সম্পর্ক ছিল সিমার। পুলিশ এ ঘটনায় সোনাইকুন্ডি তাজপুর গ্রামের নিহত রনির বন্ধু পিয়াস (২৬), প্রবাসী আফাজ উদ্দিনের স্ত্রী সীমা (৩৫) ও তার দেবর নাসির (৩৫) কে আটক করেছে পুলিশ। দৌলতপুর থানার ওসি শাহ দারা খান জানান, উদ্ধার করা লাশের নাম রনি বলে তার পরিবারের লোকজন সনাক্ত করেছে। সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ ছিল। এ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৩জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।