নওগাঁয় দ্বিতীয় বিয়ে করাকে কেন্দ্র করে গৃহ বন্দী করে জমি জমা লিখে নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ নওগাঁ সদর উপজেলার বলিহার ইউনিয়নে দ্বিতীয় বিয়ে করায় ভাইয়েরা, আগের বউ ও  ছেলে সবাই মিলে গৃহ বন্দী করে জোর পূর্বক জমি জমা সহ সব কিছু লিখে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়,উক্ত উপজেলার বলিহার বাজারের পার্শে  মৃতঃ সুধীর মন্ডল(বাঙ্গা) ছেলে উত্তম কুমার মন্ডল বলিহার বাজারের এপাড়া ওপাড়া বিভিন্ন মহিলাদের কাছে অবৈধ্য ভাবে যাতায়াত করতো।সব শেষে প্রতিমা রানী এক সন্তানের জননী,স্বামী ঢাকায় ব্যাংকের চাকরী করে এসুযোগে তাদের বাড়ীতে যাতায়াত শুরু করে,এবং তাকে ফুসলিয়ে ফাঁসলিয়ে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক পর্যায়ে তাকে বিয়ের প্রস্তাব বার বার দিতে থাকলে এক সময় উত্তমের প্রস্তাবে রাজি হয়ে গত ২৭/৩/২০১৭ ইং তারিখে আগের স্বামীকে বাদ দিয়ে হিন্দু রীতিও বিধান মোতাবেক শ্রী শ্রী বুড়া কালিমাতা মন্দিরে উপস্থিত হয়ে বিবাহ বন্দনে আবদ্ধ হয় এবং নওগাঁ নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এফিডেভিট এর মাধ্যমে বিবাহপত্র ঘোষনা করে।

এর পর থেকে প্রকাশ্যে যাওয়া আসা শুরু করে এবং দুই বউ নিয়ে ভালোভাবে দামপত্ত জীবন চলতে থাকে প্রায় ১ বছর যাবৎ। হঠাৎ করে জমিজমা সংক্লান্ত বিষয় নিয়ে আগের স্ত্রীর সাথে কথা কাটাকাটি হয়,এরপর আপন ভাই গৌতম কুমার মন্ডল,রতন কুমার মন্ডল, স্ত্রী,সন্তান ও ভাতিজারা মিলে জোরপুর্বক তাকে এক সপ্তাহ ধরে গৃহ বন্দী ও নির্যাতন করে সকল জমিজমা লিখে নেওয়ার চেষ্টা করে।অনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে, কিন্তু কিছুতেই কোন কাগজে বা কিছুতেই সহি করে নাই।

এক পর্যায়ে সুযোগ পেয়ে ফোনে দ্বিতীয় স্ত্রী প্রতিমার কাছে ফোন করে তার অবস্থার কথা জানালে,প্রতিমা নওগাঁ সদর থানার সরণাপন্ন হয়ে,একটি লিখিত অভিযোগ করে,পরের দিন পুলিশ এসে বিষয়টি তদন্ত করেন। খবর পেয়ে দৈনিক স্বাধীন সংবাদের ভ্রম্যমান প্রতিনিধি বলিহার বাজারে গিয়ে স্থানীয়দের কাছে জানতে চাইলে ঘটনার সত্য বলে জানায়।এর পর উত্তমের ভাই গৌতমকে এবিষয়ে জানতে চাইলে সে অস্বীকার করে বলে, সম্পর্ন মিথ্যা। উত্তমের সাথে দেখা করতে চাইলে অপেক্ষা করতে বলে এবং ১০/১৫ মিনিট পরে মোটর সাইকেলের মাঝখানে বসিয়ে উত্তমকে নিয়ে আসে।

উত্তমের কাছে জানতে চাইলে,সে এ রির্পোটারকে জানায়,প্রতিমাকে আমি ভালোবাসী,তাকে আমি বিয়েও করেছি,সেও আমার স্ত্রী।আমাকে কয়েকদিন থেকে বাহিরে বের হতে দেয়নি,এরা সবাই মিলে গৃহ বন্দী করে অসহ্য নির্যাতন করেছে,আমার জমিজমা লিখে নেওয়ার চেষ্টা করেছে এদের দাবী, আমার দ্বিতীয় স্ত্রী প্রতিমাকে ছেড়ে দিতে হবে,না হয় জমিজমা সব কিছু লিখে দিতে হবে। আমি এদের কোন দাবীই মানতে পারবো না।এখনো আমাকে কাছে কাছে রাখছে,কাহারো সাথে কথা বলতে দিচ্ছেনা,আমার ব্যাবহারিক ফোন পর্যুন্ত কেড়ে নিয়েছে, আমার স্ত্রী প্রতিমার সাথে কথা পর্যুন্ত বলতে দিচ্ছে না।আমি আর সহ্য করতে পারছিনা।

এব্যাপারে তার দ্বিতীয় স্ত্রী প্রতিমার কাছে জানতে চাইলে সে জানায়,আমি আমার স্বামীকে ভালোবাসী,অনেকদিন হয়ে গেলো ওরা আমার স্বামীর সাথে কথা পর্যুন্ত বলতে দেয় নাই,ফোন কেড়ে নিয়ে আমার স্বামীকে গৃহ বন্দী করে রেখেছে।আমি নওগাঁ থানাতে একটি অভিযোগ করেছি,বর্তমানে আমি আমার স্বামীর স্বাধীনতাটা চাই। এ বিষয়ে তদন্ত অফিসার হাবিব সাহেবের সাথে কথা হলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বাদীনিকে ডাকা হয়েছে, পরর্বতীতে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা জানায়,,,এই উত্তম,গৌতমের বাবারও একটি ইতিহাস আছে,,,,,,। (আগামীতে বিস্তারিত আসছি)