নওগাঁয় সোলার প্যানেলের বিদ্যুতের সুবিধা ভোগ করছেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ

প্রকাশিত

রিফাত হোসাইন সবুজ নওগাঁ।

বিদ্যুৎ আমাদের জীবনের এক অপরিহার্য অনুষঙ্গ। সরকার দেশে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে বিকল্প হিসেবে পদক্ষেপ নিয়েছেন সোলার প্যানেল স্থাপন। আর এটির মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌছাতে সক্ষম হয়েছে। ফলে বিদ্যুতের সুবিধা ভোগ করছেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক মানুষ। নওগাঁ প্রতিনিধি রিফাত হোসাইন সবুজ এর পাঠানো তথ্য ও চিত্র নিয়ে ডেক্স রিপোর্ট।

ভয়েজওভার:
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার উমার ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের উমরপুর হঠাৎপাড়া গ্রাম। যেখানে ১২০টি পরিবার মুসলিম ও আদিবাসীর/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস। গ্রামটি ছিল দীর্ঘদিন বিদ্যুৎবিহীন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌছানো অঙ্গীকার করলে সোলার প্যানেলের আওতায় আসে গ্রামটি। গত দুই মাস আগে যেখানে হ্যারিকেনের আলোয় পড়াশুনা করতে হতো শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানাকে। এখন বিদ্যুতের আলোয় রাত জেগে পড়তে পারছে জাকিয়ার মতো অনেকে। বিদ্যুতের কল্যাণে আজ বদলে গিয়েছে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃশ্যপট এবং শিক্ষা ব্যবস্থা। বদলে গিয়েছে জীবন যাত্রা।
ঠড়ীঢ়ড়ঢ়থ০১, ০৫ (দুইজন শিক্ষার্থী)

বিদ্যুতের আলোর কথা যেখানে স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি প্রত্যন্ত গ্রামঞ্চলের প্রান্তিক মানুষ। সেখানে আজ সরকারি খরচে বিদ্যুৎ পেয়ে তারা আনন্দিত ও উচ্ছসিত।
ঠড়ীঢ়ড়ঢ়থ০২, ০৩

রাতের অন্ধকারে পথ চলতে সমস্যায় পড়তে হতো পথিকদের। এখন ল্যাম্প পোস্টের আলোয় সুবিধা পাচ্ছে পথিকসহ স্থানীয়রা।
ঠড়ীঢ়ড়ঢ়থ০৬

অবহেলিত এ এলাকায় আরো বিদ্যুতের প্রয়োজন বলে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এ জনপ্রতিনিধি।
ঝুহপ থঈগথ (আলহাজ্ব মো: নুরুজ্জামান, চেয়ারম্যান, উমার ইউনিয়ন পরিষদ, ধামইরহাট, নওগাঁ)

এ উপজেলায় বিদ্যুৎবিহীন ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ৬৯৭ টি পরিবারে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে।
ঝুহপথ চওঙথওংৎধভরষ অষধস (ই¯্রাফিল হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, ধামইরহাট, নওগাঁ।

বাজারের তুলনায় ‘ইডকল’ কর্তৃক অনুমোদিত সোলার প্যানেলের খরচ বেশি ধরা হয়েছে। সরকার আগামীতে এ প্রকল্পের বিষয়টিকে মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেয়ার অনুরোধ করেছেন এ কর্মকর্তা।
ঝুহপ থ অনফঁষ গধহহধহ (এ.কে.এম. মান্নান, জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা, নওগাঁ।)

২০১৬-১৭ অর্থ বছরে জেলায় টি,আর ও কাবিটা প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২০ কোটি ৫ লাখ ১৬ হাজার টাকা ব্যায়ে সোলার প্যানেল ও রাস্তায় ল্যাম্প পোস্টের কাজ করা হয়।