নওগাঁ মান্দায় গৃহবধুকে প্রায় ২মাস আটকীয়ে রেখে ধর্ষন,সুবিচারের আশায় ঘুরে ঘুরে বর্তমান ৬ মাসের গর্ভবতী

প্রকাশিত

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ
নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার ভালাইন গ্রামের মোঃ আঃ মজিদের স্ত্রী দুই সন্তানের জননীকে প্রায় দুই মাস আটকীয়ে একের পর এক জোরপু্র্বক ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা সুত্রে জানা যায়,মোঃ আঃ মজিদের স্ত্রী দু,সন্তানের জননী, তহমিনা গত ২৪/৯/২০১৭ ইং তারিখে রাত ৯টার সময় প্রকৃতির ডাকে ঘরের বাহিরে টয়লেটে সাড়া দিতে বেরুলে স্বামী বাড়ীতে না থাকায় পুর্ব ওৎ পেতে থাকা একই এলাকার কুকখ্যাত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যাবসায়ী হাবিবুর রহমান (৪০),পিতাঃ মৃতঃ আলেফ,মোঃ আয়নাল হক(৫০),পিতাঃ মৃতঃ রহির মোল্যা,মোঃ মুন্টু মোল্যা(৪৫),পিতাঃ মৃতঃ তমিজ মোল্যা গামছার সাথে কিছু চাপিয়ে ধরে অঞ্জান করে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

পরর্বতীতে ঞ্জান ফিরে পেলে দেখতে পায় অপরিচিত এক ঘরে আবদ্ধ হয়ে আছে।এরপর উক্ত ৩জন ভয়ভীতি ও মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে একের পর এক জোরপুর্বক ধর্ষন করতে থাকে।এবং পরর্বতীতে মোঃ মোশারফ হোসেন(৪৫), পিতা মৃতঃ সেকেন্দার,গ্রাম ভালাইন,মোঃ বিদ্যুৎ হোসেন(৪০),পিতাঃ মোঃ রস্তম আলী,গ্রামঃ মহায়, মোঃ আঃ কুদ্দুস (২৭) পিতাঃমোঃ নুর বক্স,গ্রাম ভালাইন এসে একই ভাবে ধর্ষন করতে থাকে। এভাবে তারা প্রায় দুই মাস তহমিনাকে আটকীয়ে রেখে একেক দিন একেকজন গিয়ে জোরপুর্বক ধর্ষন করতে থাকে।এমত অবস্থায় গত ৪/১২/১৭ ইং তারিখে ঐ বাড়ীতে কেউ না থাকলে সুযোগ বুঝে বের হয়ে বাহিরে এলে জানতে পারে,,সে রাজশাহীতে আছে।

তখন সেখান থেকে বাড়ীতে এসে স্বামী এবং প্রতিবেশীকে ঘটনা খুলে বললে পরের দিন ৫/১২/১৭ ইং তারিখে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করে জানতে পারে তহমিনা প্রায় ৮ সপ্তাহের গর্ভবতী।এরপর গর্ভবতী তহমিনা বাদী হয়ে আদালতে মামলা করিলে, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে মামলাটি তদন্তের দ্বায়ীত্ব দেন মান্দা ইউএনও সাহেবকে। তিনি এ মামলার আসামী পক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বিভিন্ন তথ্য ও প্রমানাদী জানার পরও মনগড়া রির্পোট দাখিল করেছেন বলে বাদীনী দাবী করেন। এবং সুবিচার পাওয়ার আশায় মনগড়া মিথ্যে রির্পোটে নারাজীর আবেদন করেছেন।আসামী মুন্টু এবং কুদ্দুস সাংবাদিককে জানায়,ধর্ষন করেছে ঐ বাকী চার জন আমরা তাদের সাথে ছিলাম,কিন্তু একবারও তহমিনাকে আমরা ধর্ষন করিনি,।

ইউএনও বদলী হওয়ায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নাই। জানা যায়,প্রায় ৯ বছর পুর্বে বাদীনী তহমিনার স্বামী গরিব হওয়ায় জন্ম নিয়োন্ত্রনে প্রসাদপুর অপারেশন করা আছে,তার স্বামী সেই থেকে আর কোনদিন সন্তান লাভ করতে পরিবেনা। বর্তমানে বাদীনীর স্বামী মজিদ জানায়, আসামীরা তাদের  কঠোর ভাবে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ায় স্ত্রী ও ছেলে মেয়েদের নিয়ে আত্নগোপন করে আছে। এবং বিভিন্ন ভাবে বাদীনীর স্বামীকে মিথ্যে মামলায় নাম দিয়ে হয়রানি পেরেসানি করছে। ধর্ষিত তহমিনা প্রায় ৬ মাসের অবৈধ্য বাচ্চা পেটে নিয়ে সুবিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।