নবীগঞ্জে অসহায় কর্মহীনদের সহায়তায় এমপি মিলাদগাজী

প্রকাশিত
কিবরিয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জ থেকে :
নবীগঞ্জে পরিবার ও দলীয় অনেক শুভাকাঙ্ক্ষীর পরামর্শ অপেক্ষা করে মহামারী করোনা সংকটে জীবন বাজী রেখে নির্বাচনী এলাকায় দিবারাত্রি তৎপর সংসদ সদস্য শাহ নওয়াজ মিলাদগাজী। অদৃশ্য শক্তি করোনা আতংকে লোকজনকে সচেতনতায় তৎপর তিনি।  পাশাপাশি নিজেস্ব তহবিল, সরকারী সহায়তার পাশাপাশি বিত্তবান লোকজনের সহায়তা ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন । সারবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও মহামারী করোনার থাবায় অতিষ্ঠ জনপদের লোকজন।  অজানা আতংকে কর্মহীন মানুষ বেকার ও ক্ষতিগ্রস্ত। নেই কোনো কাজ, ঘরে নেই খাবার। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বেঁচে থাকা  অসহায় মানুষগুলো নিয়ে চিন্তিত জনতার নেতা শাহ নওয়াজ মিলাদ এমপি। অসহায় দরিদ্র কর্মহীন মানুষ অনাহারে দিনাতিপাত করছে। নির্বাচনী এলাকা হবিগঞ্জ -১ ( নবীগঞ্জ – বাহুবল) হাজার হাজার মানুষ অজানা আতংকে রয়েছে । অসহায় লোকজনের পাশে থেকে তৎপর তিনি। বিভিন্ন উপায়ে বরাদ্দকৃত খাদ্য সামগ্রী প্রতিনিয়ত মানুষের দরজায় পৌঁছে দিচ্ছেন ।
তাকে থামাতে পারেনি রোদ কিংবা বৃষ্টি। অনেক সময় রাত গভীর হয়ে গেলেও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে ছুটে চলেন তিনি। শত বাঁধা পেরিয়ে মানুষের দরজায় খাদ্য পোছে দেয়া হয় । দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়,চক্ষু লজ্জায় যেসব মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ ত্রাণ সহায়তা না নিয়ে দুর্যোগে রয়েছে তাদের নিকট গোপনে পৌছে যাচ্ছে এমপির সহায়তা। আর একারণেই মাঠ ছাড়তে নারাজ তিনি। রাতের আঁধারে খাদ্য সামগ্রী অসহায় লোকজনের বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার জন্য নিজস্ব জনবল থেকে স্বেচ্ছাসেবকদল গঠন করেন তিনি। মহাদুর্যোগে দিন রাত মানুষের পাশে থেকে নির্বাচনী এলাকায় সাড়া জাগিয়েছেন জনতার প্রিয়ভাজন মিলাদ ভাই । সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে প্রতিদিনই ছুটে চলেছেন নির্বাচনী জনপদের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সমস্যায় নিমজ্জিত পরিবারকে সহায়তা গোপন নেটওয়ার্ক তৈরি করেছেন। দুর্গতদের তথ্য  যাচাই বাচাই করে সর্বোচ্চ গোপনীয়তায় সহায়তা পৌছে দিচ্ছেন। মানবতার সহায়তায় স্বেচ্ছাসেবী বিশেষ টিমের মাধ্যমে সহায়তা পৌঁছে দেন। উপকারভোগী লোকজন বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দুর্যোগকালে তাদের খোঁজ নিয়ে খাদ্য সহায়তা দেয়ায় তারা খুবই খুশি। সার্বিক বিষয়ে সংসদ সদস্য শাহ নওয়াজ গাজী মিলাদ বলেন,স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হচ্ছে। কেউ অনাহারে থাকবে না। মধ্যবিত্ত শ্রেণির পরিবারের যারা লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিতে লজ্জাবোধ করেন
খোঁজ খবর নিয়ে তাদেরকে সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়।