নবীগঞ্জে নির্দেশনা না মেনে ঈদে বাড়িতে গেলেন সরকারী কর্মকর্তারা!

প্রকাশিত
কিবরিয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় চলছে সাধারণ ছুটি। এই ছুটির সময়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থল ত্যাগ না করার নির্দেশ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এমনকি এবারের রোজার ঈদের ছুটির সময় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে থাকার নির্দেশনা রয়েছে।
তবে এই নির্দেশনা না মেনে বাড়িতে চলে গেছেন নবীগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকজন সরকারী কর্মকর্তা।
এদের মধ্যে- উপজেলা প্রকৌশলী সাব্বির আহমেদ। তার বাড়ি ঢাকায়। তিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যাওয়ায় অনেকের মাঝে আতংক বিরাজ করছে।
সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে কেন বাড়ি গেলেন- এ বিষয়ে বক্তব্য নিয়ে প্রকৌশলী সাব্বির আহমেদ এর সাথে একাধিকবার যোগাযোগেরর চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
এ ছাড়াও তার কার্যালয়ের উপ সহকারী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের এটিও জিল্লুর রহমান, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাকারিয়াসহ আরো অনেক কর্মকর্তাই সরকারী নির্দেশনা অমান্য করেছেন।
এবারের ঈদে গ্রামের বাড়ি যাওয়া যাবে না। গত ৪ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. ছাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, “ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটিতে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। ওই সময়ে আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে।”
সম্প্রতি এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, এবারের ঈদে যে যেখানে আছেন, সেখানে থেকেই ঈদ পালন করতে হবে। এই প্রজ্ঞাপন শুধু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্য নয়, দেশের সকল মানুষের জন্য।
এদিকে সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে বাড়িতে যাওয়া নবীগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত এই কর্মকর্তাদের খুঁটির জোর নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- সরকারী নিদের্শনা রয়েছে ঈদ কাটাতে কোন কর্মকর্তা যে বাড়িতে না যান । করোনার এই মহামারীর মধ্যে কোনো ধরণের ছুটি না নিয়েই বা না বলেই কর্মস্থল ত্যাগ করা দুঃখজনক।