নরসিংদীতে নকল রাসায়নিক সার ও কীটনাশক কারখানা সিলগালা ॥ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত

নরসিংদীর পলাশের একটি কারখানায় ভেজাল ও নকল রাসায়নিক সার ও কীটনাশক তৈরির অভিযোগে কারখানাটি সিলগালা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় কারখানার কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। রবিবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পির নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি জানায়, পলাশ উপজেলার সেকান্দরদী ঝালকাটা বাজার সংলগ্ন স্থানে মেসার্স এম কে অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস নামের ওই কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়। ওই কারখানা কর্তৃপক্ষের প্রাপ্ত লাইসেন্স অনুযায়ী বিদেশ থেকে সার ও কীটনাশক আমদানি করে বিক্রি করার কথা। কিন্তু তারা আমদানি না করে অন্য কোম্পানির নিকট থেকে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক কিনে নিয়ে প্যাকেটজাত করে বিক্রি করে আসছিল। এ জন্য ভোক্তা অধিকার আইনের ৪৩ ধারায় কারখানা মালিক মো: কাজলকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করা হয়েছে এবং কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছে।
নরসিংদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: লতাফত হোসেন জানান, মেসার্স এম কে অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস নামের ওই কারখানাটি থেকে দীর্ঘদিন যাবৎ দস্তা সার, এস ও পি সার, বোরাক্স, বোরুন, জিংক মনো, ম্যাগ, ফুরান, কভার ভিট, সালফার ও জিংকসহ ১৭ ধরনের রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ভেজাল ও নকল পণ্য তৈরি করার সন্দেহে গত শনিবার (২৭ জানুয়ারি) কারখানাটি পরিদর্শনে যান পলাশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: আমিরুল ইসলাম। এসময় কারখানাটিতে পণ্য তৈরির সঠিক পদ্ধতি দেখতে পাওয়া যায়নি এবং কারখানার মালিক কাজলকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে কারখানাটিতে তৈরিকৃত ১৭ ধরণের নকল কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের মধ্যে ৯ ধরনের পণ্য জব্দ করা হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য জব্দকৃত এসব কীটনাশক ঢাকার মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউটে#প্রেরণ করা হয়েছে।