নরসিংদীতে পুলিশের চাঁদাবাজী দোকানপাট ভাঙচুরের প্রতিবাদে ছাত্র-ব্যবসায়ীদের বিহ্মোভ কালীন পুলিশের গুলিতে ২ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ৫

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নরসিংদীতে পুলিশের চাঁদাবাজীও দোকানপাট ভাঙচুরের প্রতিবাদে ছাত্র-ব্যবসায়ীদের বিহ্মোভ কালীন পুলিশের গুলিতে এক জন শিহ্মার্থীও একজন ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ পুলিশসহ আহত হয় ৫ জন।আহতবস্থায় সবাইকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছ।শুক্রবার(১৪সেপ্টেম্বর)সকাল ১১ টায় জেলার শিবপুর উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চৈতন্যা বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।আহতরা হলো হাইওয়ে পুলিশের কন্স্টেবল মাহবুব,ও বিল্লাল হোসেন।গুলিবিদ্ধ অপর দুইজন হলো সবুজ পাহাড় কলেজের শিক্ষার্থী অহিদ্দুল্লা (১৯)ও ব্যবসায়ী মোহন মিয়া (৪০)।তাদের বাড়ী উপজেলার চৈতন্যা গ্রামে।তবে ব্যবসায়ীদের দাবী মহাসড়কের পাশে বসা বিভিন্ন ফলের দোকান থেকে ৫ থেকে ৬শত টাকা করে চাঁদা দাবী করেন শিবপুর হাইওয়ে পুলিশ।চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ তাদের উপর চড়াও হয়ে দোকানপাট ভেঙ্গে দেয়।তারপরই এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়, সকাল সাড়ে ১০টায় ইট বোঝাই একটি ট্রলি মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিল।টহলরত হাইওয়ে পুলিশ ট্রলিটিকে আটক করে ৭ হাজার টাকা নগদ আদায় করেন।এরই মধ্যে ট্রলিটি সাইড করতে গিয়ে রাস্তার পাশে গর্তে পড়ে যায়।এসময় পুলিশ গাড়ীটিকে মহাসড়ক থেকে সড়িয়ে নিতে চালক`কে তাড়া দেয়।কিন্তু কোন ভাবেই ট্রলি গাড়িটিকে উঠাতে পারছিলনা চালক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাইওয়ে পুলিশ সদস্যরা ট্রলির চালককে মারপিট শুরু করে।এসময় মহাসড়কের পাশে বসা ফলের দোকানদারা এগিয়ে এসে মারপিটের প্রতিবাদ করে।এরই এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা ফল দোকানির উপর লাঠিচার্জ করেন।এ সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী শিহ্মার্থীরা একত্রিত হয়ে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে।এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়।এসময় পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশের ছোড়া গুলিতে এক কলেজ শিহ্মার্থী ও এক ব্যবসায়ী আহত হয়।সংবাদ পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।ঘটনার পর সংবাদ পেয়ে আহতদের দেখতে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে আসেন,নরসিংদী ৩(শিবপুর) সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লা,নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো.শফিউর রহমান, শিবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।ইটাখলা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের চলমান কর্মসূচি ও দূর্ঘটনা রোধের অংশ হিসেবে মহাসড়কে সিএনজিসহ নসিমন ও ট্রলি বন্ধের অভিযান চলছিল।এরই মধ্যে একটি ট্রলিতে ইট বোঝাই করে মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিল।পুলিশ ট্রলিটিকে আটক করে।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয়রা পুলিশের উপর হামলা চালায়।আমাদের দুই পুলিশ সদস্যকে আটকে রেখে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করে।অবস্থার অবনতি হলে পুলিশ শর্টগানের কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।পরে শিবপুর থানা পুলিশ গিয়ে আমাদের অস্ত্র উদ্ধার করে।এ ঘটনায় নরসিংদীতে ব্যাপক চাঞ্চল্য হ্মোবের সৃষ্টি হয়েছে