নাটোরের বড়াইগ্রামে নিয়মিত বন্ধ থাকে দ্বারীখৈর কমিউনিটি ক্লিনিক; ঔষধ পেতেও ভোগান্তী

প্রকাশিত

নাটোর প্রতিনিধি-
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের দ্বারীখৈর কমিউনিটি ক্লিনিক সপ্তাহের অধিকাংশ দিন’ই বন্ধের অভিযোগ উঠেছে। কমিউনিটি ক্লিনিকটি পরিচালনা করেন কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রভাইডার (সি.এইচ.সি.পি) খাইরুল ইসলাম মানিক। যে দু’একদিন খোলা থাকে সে দিন গুলোতে কর্তব্যরত কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রভাইডার (সি.এইচ.সি. পি) দ্বায়িত্ব পালন করেন ১ থেকে দেড় ঘন্টা। প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এলাকার গর্ভবতী, শিশু সহ সেবা প্রত্যাশী সাধারণ জনগন। ঔষধ মিলছে না সময় মত।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ১১ টার সময় দ্বারীখৈর কমিউনিটি ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ অবস্থায় আছে এবং বাহিরের রোগী ছাউনিতে গর্ভবতী সহ ১০/১৫ জন সেবা প্রত্যাশী বসে ডাক্তারের অপেক্ষা করছেন। সরকারী অফিস আদেশ থাকা সত্ত্বেও বাহিরে লাগানো নেই ডাক্তার বা কর্মকর্তার মোবাইল নম্বর। কখন ডাক্তার আসবেন কেউ জানেন না। অপ্রত্যাশি সময়ে অপেক্ষা তাদের। এমন কি বাহিরের পরিবেশ দেখলে মনে হবে ভবনটি অনেকদিন ধরে পরিত্যাক্ত অবস্থায় আছে।
কয়েকজন এলাকাবাসী এবং সেবা প্রত্যাশী মহিলা জানান, ডাক্তার সাহেব নিজ মর্জিতে আসে আবার নিজ মর্জিতেই চলে যান। কেউ কিছু বললে তিনি দুঃব্যবহার করেন। ঔষধ নিতে গেলে দু’একজন ছাড়া সবাইকেই খালি হাতে ফিরতে হয়। ডাক্তার সাহেব বলেন ঔষধ শেষ আর দেওয়া যাবে না। এবং সব কথাতেই বিভিন্ন বাহানা খোঁজেন।
কমিউনিটি ক্লিনিকের জমিদাতার নাতি ও দ্বারীখৈর বঙ্গবন্ধু ক্লাবের সভাপতি জুয়েল রানা সহ এলাকার ১৫/২০ জন তরুণ জানান- ১ থেকে দেড় ঘন্টা দ্বায়িত্ব পালনের মধ্যেও দরজা ভেতর থেকে বন্ধ রাখে ডাক্তার। কেউ জিজ্ঞাসা করলে বলেন- আমি আরাম করছি এখন আমাকে কেউ বিরক্ত করবেন না। এবং আরো বলেন- আমি কারো কাছে জবাবদিহী করতে বাধ্য নই, আপনাদের ইচ্ছা হলে ক্লিনিকে আসবেন, না হলে আসবেন না। তারা আরো জানান ডাক্তার সাহেব রাজনীতি নিয়ে বেশিরভাগ সময় বনপাড়াতেই অতিবাহিত করেন। জনভোগান্তি দূর করতে এর প্রতিকার চায় এলাকাবাসী।
উক্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে উপরোক্ত অভিযোগ অস্বীকার করে কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রভাইডার (সি.এইচ.সি. পি) খাইরুল ইসলাম মানিক বলেন, আমি প্রতিনিয়ত সেখানে যায় এবং পরিমান মত ঔষধ বিতরণ করি। যারা অভিযোগ করেছে, আমার প্রতি তাদের ব্যাক্তিগত আক্রশ।