‘নামকাওয়াস্তে’ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানাগার

প্রকাশিত

তানোর (রাজশাহী) সংবাদদাতা : রাজশাহীর তানোর উপজেলার প্রায় শতাধিক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ও মাদ্রাসার বিজ্ঞানাগার নামাকাওয়াস্তে। যার ফলে শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে বিজ্ঞান শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে উপজেলা শিক্ষা অফিস।
সূত্র জানায়, তানোর উপজেলায় ৫৭টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৪টি স্কুল এন্ড কলেজ, ২৮টি দাখিল মাদ্রাসা, ১৪টি কলেজ ও ৩টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাগুলোর প্রত্যেকটিতেই বিজ্ঞানাগারও রয়েছে। কিন্ত সেগুলোতে নেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। দুই একটি বাদে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানাগারগুলো নামকাওয়াস্তে। এছাড়া যে ২/৪টি বিজ্ঞানাগারের সরঞ্জাম রয়েছে সেগুলোও ঠিকমতো ব্যবহার করা যায় না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার একাধিক কলেজের শিক্ষকরা প্রতিবেদককে জানান, বিদ্যালয়গুলোর বিজ্ঞানাগারের খারাপ অবস্থার জন্য শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে বিজ্ঞান শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানাগারে সরঞ্জাম রয়েছে সেগুলোও ব্যবহার করতে অনেক শিক্ষকের মধ্যে অনীহা রয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে অধিকাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বিজ্ঞানাগার যে নামকাওয়াস্তে তা তিনি স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, বিজ্ঞানাগারের সরঞ্জাম কেনার জন্য প্রতিবছর ২/৩টি প্রতিষ্ঠানকে সরকার ৩০/৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়ে থাকে। কিন্ত সে টাকা যথাযথ কাজে ব্যবহার হয় না বলে তিনি অভিযোগ করেন।