নারায়ণগঞ্জকে অশান্ত করতে চাইছেন তিনি

প্রকাশিত

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী ও তাঁর সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তঁারা উদ্বেগ জানিয়ে বলেছেন, এটা শান্ত নারায়ণগঞ্জকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র।

নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, শামীম ওসমান হকারদের পক্ষে যাননি, মূলত তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র আইভীকে হত্যার পরিকল্পনায় লিপ্ত ছিলেন। এটি দেশের অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে ন্যক্কারজনক ঘটনা। এ ঘটনা থেকে ভবিষ্যতে আরও বড় ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি জিয়াউল ইসলাম বলেন, ‘আমরা হকারমুক্ত নারায়ণগঞ্জ চাই। ফুটপাতে হকার বসানো নিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতায় যে ঘটনা ঘটানো হলো, এটি ভবিষ্যতে ভালো বার্তা বয়ে আনবে না। অন্যায়কারীদের অন্যায় আবদার মেটাতে শামীম ওসমান পরিকল্পিতভাবে শান্ত নারায়ণগঞ্জকে অশান্ত করতে চাচ্ছেন।’

সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জকে দীর্ঘদিন সন্ত্রাসের নগরী বানিয়ে রেখেছে যারা, সশস্ত্র অবস্থায় রাস্তায় নেমেছে তারা। পুলিশের উপস্থিতিতে শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান, শাহ্ নিজাম, নিয়াজুল ইসলাম তারা সশস্ত্রভাবে রাস্তায় নেমেছে। পুলিশের এই ন্যক্কারজনক ভূমিকার নিন্দা জানাই। আজকের এই ঘটনায় স্পষ্ট, নারায়ণগঞ্জের প্রশাসন জনগণের নিরাপত্তায় নিয়োজিত না। তারা জনগণের টাকায় পরিচালিত হলেও ওসমান পরিবারের নিরাপত্তায় নিয়োজিত। নয়তো শতাধিক সাধারণ মানুষ এভাবে হামলার শিকার হয় না।’

নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ মিছিলে বর্বরোচিত হামলা এটা। নিজের সংসদীয় এলাকা না হলেও শামীম ওসমান কেন ফুটপাতে হকার বসাতে এত আগ্রহী। এটা আইনের শাসনের পরিপন্থী। নারায়ণগঞ্জের অশান্তির মূলে যে শামীম ওসমান, এটা আবার প্রমাণিত হলো। এই জনপদকে অশান্ত করার জন্য তিনি মিশনে নেমেছেন। এই হামলায় ১১ জন সাংবাদিকসহ শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। আমরা হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বিচার দাবি করছি।