নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে পর্নোগ্রাফি ও পাইরেসি চক্রের ২৪ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশিত

নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে পর্নোগ্রাফি ও পাইরেসি চক্রের ২৪ সদস্য গ্রেপ্তার

দুই জেলায় অভিযান চালিয়ে পর্নোগ্রাফি ও পাইরেসি চক্রের ২৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১।   নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে পাইরেসি কাজে ব্যবহৃত ২৪টি মনিটর, ২৪টি সিপিইউ ও ১ হাজার ৭৯৬টি পাইরেটেড সিডি জব্দ করা হয়।

রোববার সন্ধ্যা সাতটা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের নগরের রেলওয়ে মার্কেট এবং নরসিংদীর মাধবদীর সোনার বাংলা মার্কেট ও স্কুল মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীর র‍্যাব-১১ ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১১ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান এসব তথ্য জানান।  এ সময় বক্তব্য দেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান, সংগীতশিল্পী শাফিন আহেম্মদ, চিত্র নায়িকা কেয়া, চিত্র নায়িকা শানু, সংগীতশিল্পী তামিজ ফারুক, সংগীতশিল্পী মুন, এলিজা পুতুল প্রমুখ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. ডালিম, মো. কাওছার, আরিফুল ইসলাম, রাসেল মিয়া, ইব্রাহিম, নাহিদ হাসান, এরশাদ মিয়া, মো. সেলিম, সোহাগ মিয়া, কাজী জুয়েল, মো. শামীম, ইদ্রিস মিয়া, শামীম মিয়া, রাজু আহমেদ, কাজী দিপু, মামুন মিয়া, ইউসুফ মিয়া, কাজী বিল্লাল, শাকিল মিয়া, মনির হোসেন, রবিন দেওয়ান, মো. আকাশ, মাসুদ আলম ও মাসুদ রানা।

সংবাদ সম্মেলনে কামরুল হাসান জানান, পর্নোগ্রাফি ও পাইরেসির সাথে জড়িত ব্যক্তিদের অপতৎপরতায় বাংলাদেশের ফিল্ম ও মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।  অশ্লীলতা প্রচারের মাধ্যমে তাঁরা একদিকে যেমন যুবসমাজকে ভুল পথে নিয়ে যাচ্ছেন, অন্যদিকে তেমনি অপসংস্কৃতি প্রচারের মাধ্যমে আমাদের সুদীর্ঘ সময়ের লালিত সামাজিক মূল্যবোধকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে নিয়ে গেছেন।  তাদের অপরাধ কর্মকাণ্ডের কারণে যুবসমাজের মধ্যে বিকৃত রুচির প্রচার ও প্রসার লাভ করছে।  গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।