ফুলপুরে করোনা ভাইরাসে স্বাস্থ্যকর্মীসহ আরও ২ জন আক্রান্ত

প্রকাশিত

মোঃ খলিলুর রহমান, ফুলপুর প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের পিসিআর ল্যাবে মঙ্গলবার নমুনা পরিক্ষার পর  কাইচাপুর গ্রামের করোনায় নিহত আব্দুল কাদিরের সংস্পর্শে আসা স্বাস্থ্যকর্মী  রফিকুল ইসলাম(৫০) ও  চুল কাটা নাপিত আল আমিন (৩০)এর  করোনা পজেটিভ ধরা পড়েছে। স্বাস্থ্যকর্মী রফিকুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার বালিয়া গ্রামে ও নাপিত আল আমিনের বাড়ি বিলাসাটী গ্রামে। তাদেরকে বিশেষ ব্যাবস্থায় বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা করা হবে বলে জানিয়েছেন ফুলপুর স্বাস্থ্য বিভাগ। পুরো এলাকা আগে থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে তাদের করোনা শনাক্ত হওয়ার পর  এলাকাটিকে বিশেষভাবে বিধিনিষেধের আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানা যায়।
স্বাস্থ্যকর্মী  রফিকুল ইসলাম কাইচাপুর এলাকায় স্বাস্থ্য বিভাগের হয়ে কাজ করিত এবং আল আমিন বিলাসাটী বাজারে সেলুনে কাজ করিত।
স্বাস্থ্যকর্মী  রফিকুল ইসলাম ও  চুল কাটা নাপিত আল আমিন করোনায় নিহত কাইচাপুর গ্রামের আব্দুল কাদিরের সংস্পর্শে গিয়েছিল বলে এলাকাবাসী জানান।

এর আগে ১০ এপ্রিল বালিয়া ইউনিয়নের কাইচাপুর গ্রামে আব্দুল কাদির (৫৫) নামে এক ব্যক্তির করোনা শনাক্ত হয়েছিল। সে  ময়মনসিংহ এসকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৬ই এপ্রিল মারা যান। গত রবিবার কাজিয়াকান্দা গ্রামের নির্মাণ শ্রমিক মোঃ জহিরুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবকের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। তাকে ময়মনসিংহে এসকে হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি করা হয়েছে।

ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ প্রাণেশ চন্দ্র পন্ডিত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রতিটি ইউনিয়নে কাজ করে যাচ্ছি। কাজ করার সময় সোমবার ৩ জন স্বাস্থ্যকর্মীসহ তাদের ৪জনের নমুনা সংগ্রহ করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে অবস্থিত পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার নমুনা পরীক্ষার পর উক্ত দুই ব্যক্তির করোনা ভাইরাস পজেটিভ পায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে অবস্থিত করোনা শনাক্ত করণের পিসিআর ল্যাব। তিনি আরও জানান,  উক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে এসকে হাসপাতালের আইসোলেশনে বা ফুলপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হবে না। তাদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে  বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হবে এবং ৭ দিন পর আবার নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।