মেসি-সুয়ারেজে বার্সার শুভ নববর্ষ

প্রকাশিত

২০১৮ সালে এরই মাঝে একটি ম্যাচ খেলেছে বার্সেলোনা। কোপা দেল রের সে ম্যাচে অবশ্য ড্র মেনে ফিরতে হয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। এ বছরে আজই প্রথম লিগ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল বার্সেলোনা। মেসি-সুয়ারেজকেও দেখা গেলে আজই প্রথম। নতুন বছরের শুরুটাও দুজন করেছেন দুর্দান্ত। লেভান্তেকে ৩-০ ব্যবধানে হারানোর পথে গোল করেছেন দুজনই।

ক্যাম্প ন্যুতে ম্যাচ। প্রতিপক্ষ লিগে ১৬ নম্বরে থাকা লেভান্তে। এক ম্যাচ হাতে রেখেই অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের চেয়ে ৬ পয়েন্ট এগিয়ে থাকা বার্সেলোনা আজ একটু হালকা চালেও খেলোয়াড় কথা ভাবতে পারত। কিন্তু আরনেস্তো ভালভার্দের দল সে পথে যায়নি। শুরুটা হালকা চালেই ছিল। এমানুয়েল বোয়েটাংয়ের গতি বার্সা রক্ষণে আতঙ্ক জাগিয়েছে কিছু কিছু মুহূর্তে। কিন্তু এ মৌসুমে নিয়মিত দৃশ্যটা ফিরেছে। খানিক পরেই, ‘ম্যাচের বয়স যত বাড়ে, তত ভয়ংকর হয়ে ওঠে বার্সা’!
এ বার্সা যে ভালভার্দের সেটা প্রথমার্ধের দুই গোল দেখেই বোঝা যায়। গোল দুটো করেছেন দলের মূল দুই গোল ভরসা মেসি ও সুয়ারেজ। কিন্তু সহায়তা দুই ফুল ব্যাকের। ১২ মিনিটে মেসির গোলে সহায়তা করেছেন জর্ডি আলবা। ৩৮ মিনিটে সার্জি রবার্তো। নেইমার চলে যাওয়ার পর নিজেকে নতুন করে খুঁজে পেয়েছেন আলবা। অন্যপ্রান্তে রাইটব্যাকেরাও নিয়মিত গোল করায় অবদান রাখছেন। কখনো সেটা নেলসন সেমেদো, কখনো অ্যালেক্স ভিদাল অথবা আজ রবার্তো।
আজ আলাদা করে নজর ছিল ওউসমানে ডেমবেলের ওপর। চোট কাটিয়ে ফেরা এই ফরোয়ার্ড কাপে শেষ ১৫ মিনিট খেলেছিলেন। আজ ফরাসি উইঙ্গারকে প্রথম একাদশেই রেখেছেন ভালভার্দে। গতি ও ড্রিবলিংয়ে মাঝে মাঝেই মুগ্ধ করলেও এখনো সেরা ফর্ম পেতে যে দেরি হবে সেটাও বুঝিয়ে দিয়েছেন ডেমবেলে।
দ্বিতীয়ার্ধে সে তুলনায় ভালো খেলেছে লেভান্তে। বেশ কয়েকটি আক্রমণ করেও গোল পাচ্ছিল না বার্সেলোনা। উল্টো ব্যবধান কমানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছিল লেভান্তে। কিন্তু ৬৪ মিনিটে অবিশ্বাস্যভাবে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন শ্যাকুয়েল মুর । বোয়েটাংয়ের বানিয়ে দেওয়া বলে ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন এই ফুলব্যাক। কিন্তু তাঁর নেওয়া শট মার্ক টের স্টেগেনের গায়ে লেগে বেরিয়ে গেছে।
৮৫ মিনিটে লা লিগা অভিষেক হয়েছে হোসে আরনেইজের। ছয় মাস আগেই বার্সেলোনা ‘বি’ দলে যোগ দেওয়া এই স্ট্রাইকার কাপের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করছেন। কাপে তিন ম্যাচে তিন গোল করা আরনেইজ আজ অবশ্য গোল করতে পারেননি। ম্যাচের শেষ মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়েছেন পাউলিনহো। মেসির দুর্দান্ত এক পাস থেকে টোকা দিয়ে কাজ সেরে নিয়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান।