রাঙ্গামাটিতে আরো একজনের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলার কেংঙ্গাছড়ি এলাকা থেকে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, রাত রাত দেড়টার দিকে নানিয়ারচর এলাকার মহালছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের কেংঙ্গাছড়ি থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) নেতা সুদর্শন চাকমা নিহত ব্যক্তিকে তাদের কর্মী বলে দাবি করেছেন।

তিনি বলেন, নিহতের নাম সাধন বিকাশ চাকমা (৪০)। গতকাল ইউপিডিএফ’র একজন নিহতের ঘটনার পর তারা সাধনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তাকে হত্যা করে কেংঙ্গাছড়ি ব্রিজের উপর রেখে যায়।

তিনি এ ঘটনায় প্রসীত বিকাশ খীসা নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফকে দায়ী করেছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, সাধন চাকমা (৪০) ও কালোময় চাকমা (২৯)কে পেরাছড়া এলাকা থেকে অপহরণ করা হয়। সাধন চাকমাকে হত্যার খবর জানতে পেরেছি। তবে কালোময় চাকমার ভাগ্যে কি ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিহত সাধন চাকমার বাড়ি নানিয়ারচর উপজেলার সাবেক্ষ্যং ইউনিয়নের মগাছড়া গ্রামে এবং তিনি শশী বিকাশ চাকমার পুত্র বলে জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে প্রসীত বিকাশ খীসা নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ’র (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল লতিফ জানান, লাশে গায়ে গুলির চিহ্ন রয়েছে। আমরা এখনো লাশের নাম পরিচয় পাইনি। তবে নিহতের বয়স ৪০ হতে পারে। গতকাল রাতেই নিহতের লাশ উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়েছে।

এর আগে বুধবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে নানিয়ারচর উপজেলার ২নং সাবেক্ষং ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়ার মেজর পাড়া রোডে জনি তঞ্চঙ্গ্যা (৪০) নামে একজনকে গুলি করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। জনি তঞ্চঙ্গ্যা নিহতের ঘটনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে (এমএন লারমা) দায়ী করে ইউপিডিএফ (প্রসীত গ্রুপ)।