রাজধানীর বাড্ডায় হত্যা করে পালানোর সময় আটক যুবক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

প্রকাশিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ শনিবার দুপুরে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় প্রকাশ্যে আবুল বাশার নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যাওয়ার সময় আটক নুরুল ইসলাম নুরা মহনগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)’র সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে।

শনিবার দিবাগত রাতে বাড্ডায় সাতারকুল এলাকায় তাকে নিয়ে অভিযানে গেলে তার সহযোগীরা ডিবিকে আক্রমণ করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ গুরুতর আহত হয় নুরা। পরে আহত নুরা কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে রোববার সকাল ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাড্ডা থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সামসুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শনিবার দুপুরে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় মাছের আড়তে আবুল বাসার বাদশা (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতার সহায়তায় হাতিরঝিল থেকে নুরুল ইসলামকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে নুরা বনানীর এমএস মুন্সি ওভারসিজ (জনশক্তি রপ্তানি) প্রতিষ্ঠানের মালিক সিদ্দিক হোসেন মুন্সী (৫০) হত্যা মামলারও আসামি।হত্যা মামলাটি ডিবি তদন্ত করায় শনিবার রাতে তাকে সঙ্গে নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল পালিয়ে যাওয়া অন্য সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযানে যায়। এ সময় নুরার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করলে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে পুলিশের সাথে সন্ত্রসীদের বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ সময় নুরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৪ নভেম্বর রাতে বনানীর ৪ নম্বর রোডের বি-ব্লকের ১১৩ নম্বর বাড়ির এমএস মুন্সি ওভারসিজ (রিক্রুটিং এজেন্সি) প্রতিষ্ঠানের মালিক সিদ্দিক হোসেন মুন্সী (৫০)কে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান (৩৯), মোখলেসুর রহমান (৩৫) ও মির্জা পারভেজ (৩০) দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন।

১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় বানানী থানায় নিহতের স্ত্রী জোৎস্না বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নুরাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল।