রাজবাড়ীতে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে প্রশ্ন চাওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত

রাজবাড়ী সরকারি কলেজে ডিগ্রি পাস তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কলেজ ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে। ওই প্রশ্নপত্র না পেয়ে তারা ভাঙচুর চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনা অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ।

কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও প্রত্যক্ষদর্শী অভিযোগ করেন, বুধবার বেলা একটায় ডিগ্রি পাস তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলছিল। হিসাববিজ্ঞান ও ভূগোল বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র দেওয়ার কয়েক মিনিট পরে ছাত্রলীগের আট-দশজন নেতা-কর্মী দ্বিতীয় তলায় উঠে শিক্ষকের কাছে প্রশ্নপত্র চান। ওই শিক্ষক প্রশ্ন দিতে অস্বীকার করেন। এ সময় শিক্ষককে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। পরে হল থেকে মোবাইলে প্রশ্নের ছবি তোলার চেষ্টা করে। শিক্ষকেরা বাধা দিলে একাডেমিক ভবনের নিচে থাকা চেয়ার ও বেঞ্চ ভাঙচুর করেন তাঁরা।

জাকারিয়া মাসুদ বলেন, ‘প্রশ্ন চাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুরোনো রীতি অনুযায়ী ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী কুশল বিনিময় করতে যাচ্ছিল। কিন্তু দায়িত্বরত শিক্ষকেরা দ্বিতীয় তলায় উঠতে বাধা দেন।’

রাজবাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক খলিলুর রহমান বলেন, ‘কয়েকজন ছাত্র পরীক্ষা হলে ঢুকে প্রশ্ন চেয়েছিল। প্রশ্নের ছবি তুলতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা চেয়ার-বেঞ্চ ভাঙচুর করেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে।

রাজবাড়ী সরকারি কলেজে ডিগ্রি পাস তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কলেজ ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে। ওই প্রশ্নপত্র না পেয়ে তারা ভাঙচুর চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনা অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ।

কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও প্রত্যক্ষদর্শী অভিযোগ করেন, বুধবার বেলা একটায় ডিগ্রি পাস তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলছিল। হিসাববিজ্ঞান ও ভূগোল বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র দেওয়ার কয়েক মিনিট পরে ছাত্রলীগের আট-দশজন নেতা-কর্মী দ্বিতীয় তলায় উঠে শিক্ষকের কাছে প্রশ্নপত্র চান। ওই শিক্ষক প্রশ্ন দিতে অস্বীকার করেন। এ সময় শিক্ষককে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। পরে হল থেকে মোবাইলে প্রশ্নের ছবি তোলার চেষ্টা করে। শিক্ষকেরা বাধা দিলে একাডেমিক ভবনের নিচে থাকা চেয়ার ও বেঞ্চ ভাঙচুর করেন তাঁরা।

জাকারিয়া মাসুদ বলেন, ‘প্রশ্ন চাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুরোনো রীতি অনুযায়ী ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী কুশল বিনিময় করতে যাচ্ছিল। কিন্তু দায়িত্বরত শিক্ষকেরা দ্বিতীয় তলায় উঠতে বাধা দেন।’

রাজবাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক খলিলুর রহমান বলেন, ‘কয়েকজন ছাত্র পরীক্ষা হলে ঢুকে প্রশ্ন চেয়েছিল। প্রশ্নের ছবি তুলতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা চেয়ার-বেঞ্চ ভাঙচুর করেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে।

রাজবাড়ী সরকারি কলেজে ডিগ্রি পাস তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কলেজ ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে। ওই প্রশ্নপত্র না পেয়ে তারা ভাঙচুর চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনা অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ।

কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও প্রত্যক্ষদর্শী অভিযোগ করেন, বুধবার বেলা একটায় ডিগ্রি পাস তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলছিল। হিসাববিজ্ঞান ও ভূগোল বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র দেওয়ার কয়েক মিনিট পরে ছাত্রলীগের আট-দশজন নেতা-কর্মী দ্বিতীয় তলায় উঠে শিক্ষকের কাছে প্রশ্নপত্র চান। ওই শিক্ষক প্রশ্ন দিতে অস্বীকার করেন। এ সময় শিক্ষককে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। পরে হল থেকে মোবাইলে প্রশ্নের ছবি তোলার চেষ্টা করে। শিক্ষকেরা বাধা দিলে একাডেমিক ভবনের নিচে থাকা চেয়ার ও বেঞ্চ ভাঙচুর করেন তাঁরা।

জাকারিয়া মাসুদ বলেন, ‘প্রশ্ন চাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুরোনো রীতি অনুযায়ী ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী কুশল বিনিময় করতে যাচ্ছিল। কিন্তু দায়িত্বরত শিক্ষকেরা দ্বিতীয় তলায় উঠতে বাধা দেন।’

রাজবাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক খলিলুর রহমান বলেন, ‘কয়েকজন ছাত্র পরীক্ষা হলে ঢুকে প্রশ্ন চেয়েছিল। প্রশ্নের ছবি তুলতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা চেয়ার-বেঞ্চ ভাঙচুর করেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে।

রাজবাড়ী সরকারি কলেজে ডিগ্রি পাস তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কলেজ ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে। ওই প্রশ্নপত্র না পেয়ে তারা ভাঙচুর চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনা অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ।

কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও প্রত্যক্ষদর্শী অভিযোগ করেন, বুধবার বেলা একটায় ডিগ্রি পাস তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলছিল। হিসাববিজ্ঞান ও ভূগোল বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র দেওয়ার কয়েক মিনিট পরে ছাত্রলীগের আট-দশজন নেতা-কর্মী দ্বিতীয় তলায় উঠে শিক্ষকের কাছে প্রশ্নপত্র চান। ওই শিক্ষক প্রশ্ন দিতে অস্বীকার করেন। এ সময় শিক্ষককে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। পরে হল থেকে মোবাইলে প্রশ্নের ছবি তোলার চেষ্টা করে। শিক্ষকেরা বাধা দিলে একাডেমিক ভবনের নিচে থাকা চেয়ার ও বেঞ্চ ভাঙচুর করেন তাঁরা।

জাকারিয়া মাসুদ বলেন, ‘প্রশ্ন চাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুরোনো রীতি অনুযায়ী ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী কুশল বিনিময় করতে যাচ্ছিল। কিন্তু দায়িত্বরত শিক্ষকেরা দ্বিতীয় তলায় উঠতে বাধা দেন।’

রাজবাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক খলিলুর রহমান বলেন, ‘কয়েকজন ছাত্র পরীক্ষা হলে ঢুকে প্রশ্ন চেয়েছিল। প্রশ্নের ছবি তুলতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা চেয়ার-বেঞ্চ ভাঙচুর করেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে।

রাজবাড়ী সরকারি কলেজে ডিগ্রি পাস তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কলেজ ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে। ওই প্রশ্নপত্র না পেয়ে তারা ভাঙচুর চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনা অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ।

কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও প্রত্যক্ষদর্শী অভিযোগ করেন, বুধবার বেলা একটায় ডিগ্রি পাস তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলছিল। হিসাববিজ্ঞান ও ভূগোল বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র দেওয়ার কয়েক মিনিট পরে ছাত্রলীগের আট-দশজন নেতা-কর্মী দ্বিতীয় তলায় উঠে শিক্ষকের কাছে প্রশ্নপত্র চান। ওই শিক্ষক প্রশ্ন দিতে অস্বীকার করেন। এ সময় শিক্ষককে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। পরে হল থেকে মোবাইলে প্রশ্নের ছবি তোলার চেষ্টা করে। শিক্ষকেরা বাধা দিলে একাডেমিক ভবনের নিচে থাকা চেয়ার ও বেঞ্চ ভাঙচুর করেন তাঁরা।

জাকারিয়া মাসুদ বলেন, ‘প্রশ্ন চাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুরোনো রীতি অনুযায়ী ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী কুশল বিনিময় করতে যাচ্ছিল। কিন্তু দায়িত্বরত শিক্ষকেরা দ্বিতীয় তলায় উঠতে বাধা দেন।’

রাজবাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক খলিলুর রহমান বলেন, ‘কয়েকজন ছাত্র পরীক্ষা হলে ঢুকে প্রশ্ন চেয়েছিল। প্রশ্নের ছবি তুলতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা চেয়ার-বেঞ্চ ভাঙচুর করেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে।

রাজবাড়ী সরকারি কলেজে ডিগ্রি পাস তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কলেজ ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে। ওই প্রশ্নপত্র না পেয়ে তারা ভাঙচুর চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনা অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ।

কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও প্রত্যক্ষদর্শী অভিযোগ করেন, বুধবার বেলা একটায় ডিগ্রি পাস তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলছিল। হিসাববিজ্ঞান ও ভূগোল বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র দেওয়ার কয়েক মিনিট পরে ছাত্রলীগের আট-দশজন নেতা-কর্মী দ্বিতীয় তলায় উঠে শিক্ষকের কাছে প্রশ্নপত্র চান। ওই শিক্ষক প্রশ্ন দিতে অস্বীকার করেন। এ সময় শিক্ষককে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। পরে হল থেকে মোবাইলে প্রশ্নের ছবি তোলার চেষ্টা করে। শিক্ষকেরা বাধা দিলে একাডেমিক ভবনের নিচে থাকা চেয়ার ও বেঞ্চ ভাঙচুর করেন তাঁরা।

জাকারিয়া মাসুদ বলেন, ‘প্রশ্ন চাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুরোনো রীতি অনুযায়ী ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী কুশল বিনিময় করতে যাচ্ছিল। কিন্তু দায়িত্বরত শিক্ষকেরা দ্বিতীয় তলায় উঠতে বাধা দেন।’

রাজবাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক খলিলুর রহমান বলেন, ‘কয়েকজন ছাত্র পরীক্ষা হলে ঢুকে প্রশ্ন চেয়েছিল। প্রশ্নের ছবি তুলতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা চেয়ার-বেঞ্চ ভাঙচুর করেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে।