রেড জোন বগুড়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত

রেড জোন বগুড়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে পুলিশের সাবেক এসআই এবং বেসরকারি টিএমএএস হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু হয়।

তারা হলেন- শাজাহানপুর উপজেলার হেলঞ্চাপাড়া এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলাম (৬৫), সদর উপজেলার মাটিডালি এলাকার বাসিন্দা জাবেদ আলী (৬৫), বৃন্দাবনপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ (৬২) এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পুলিশের সাবেক এসআই শ্রীবাস (৬৬)।

বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. খায়রুল বাশার মোমিন বলেন, গাইবান্ধার সাবেক এসআই শ্রীবাস করোনায় আক্রান্ত অবস্থায় ২০ জুন হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি আগে থেকেই ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। করোনার কারণে তার উচ্চ শ্বাসকষ্ট ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে তিনি মারা যান।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া নুরুল ইসলাম চানাচুর-মুড়ি বিক্রি করতেন। ১৮ জুন মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। তার আগে থেকে অ্যাজমা ও কিডনিজনিত সমস্যা ছিল। করোনার কারণে তার উচ্চ শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। পরে সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তিনি মারা যান।

ডা. খায়রুল বাশার মোমিন বলেন, এর আগে সকাল ৭টায় মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসিইউতে জাবেদ আলী মারা যান। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৯ জুন টিএমএসএস হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। পরে সেখানে শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে রোববার (২১ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসিইউতে পাঠানো হয়। তার শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি জ্বর ছিল। পরে সোমবার সকাল ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

টিএমএস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রহিম রুবেল বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে টিএমএসএস হাসপাতালে আবুল কালাম আজাদ নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ১২ জুন করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। সেদিনই তার নমুনার ফলাফলে করোনা পজিটিভ আসে। পরে তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে অবস্থার অবনতি হলে ১৮ জুন সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে টিএমএসএস হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হন তিনি। পরে রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।