লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ৯ম শ্রেণীর ছাত্র মহিবুলের বিয়ে নিয়ে তোলপাড় কণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,? বর অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত

প্রকাশিত

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার লামচর গ্রামের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসি নূরুল আলম বাবুলের ৯ম শ্রেনীর পড়–য়া ছাত্র মহিবুল ইসলামের সাথে পৌর টামটা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের অর্নাস পড়–য়া মেয়ে দিলরুবা আক্তারের নোটারী পাবলিকের বিয়ে নিয়ে উপজেলাব্যাপী তোলপাড় সৃষ্ঠি হয়েছে। বিষয়টি ধামাচাপা দিলে একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে।
সুত্রে জানায়,উপজেলার লামচর গ্রামের নুরুল আলম বাবুলের ছেলে ঢাকা মোহাম্মদপুর মেট্রো পলিটন স্কুলের ৯ম শ্রেনীর ছাত্র মহিবুল ইসলামের সাথে পৌর টামটা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে ঢাকা ইউনিভাস সিটির ইংরেজিতে অনার্স পড়–য়া ছাত্রী দিলরুবা আক্তারের দীর্ঘ কয়েক মাস যাবত মন-দেওয়া নেওয়ায় চলে আসছে। বিষয়টি জানাজানি হলে রোববার প্রেমিক যুগল লক্ষ্মীপুর জজকোর্টের আইনজীবি এ্যাডভোকেট একেএম নজরুল ইসলামের মাধ্যমে ৫০ লক্ষ টাকা দেন-মোহরে এফিডেভিটে বিয়ে করে। রোববার রাতে মহিবুল ইসলামের পিতা নুরুল ইসলাম বাবুল সাংবাদিকদের জানান, নোটারী পাবলিকের আইনজীবি মেয়ের স্বজনদের প্ররোচনায় ৯ম শ্রেণীতে পড়–য়া ছেলের বয়স বাড়িয়ে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজী বিভাগের অধ্যায়নর শিক্ষার্থী দিলরুবা আক্তারের বয়স কমিয়ে বিয়ে দেয়। দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত স্ব-পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থাকেন। ছেলের যুক্তরাষ্ট্র গ্রীণকার্ড, ঢাকা সিটি করপোরেশনে জম্মনিবন্ধন, পাসর্পোট তার বয়স ১৭ বছর। ছেলেকে তিনি কোরআন হাফেজও করেন। মেয়ে প্রতিবেশী হওয়াতে ছেলের সাথে ফেসবুকে কথার মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক ঘটে। তিনি জানান তার ছেলের বর্তমান কোন আয় নেই বিয়েতে ৫০লাখ টাকা কাবিন নিয়ে ক্ষোভ জানান । মেয়ের অভিভাবক দিলরুবার আক্তারের বাবা দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমার মেয়ে গ্রেজুয়েট, ও মিডিয়ায় কাজ করেন। মেয়েরতো ভালো-মন্দ বুঝার বয়স হয়েছে। দীঘৃ দিনের প্রেমের সম্পর্ক জের হিসেবে দুইজনে নোটারী পাবলিকে উপস্থিত হয়ে বিয়ে করেছে। বর্তমান সময়ে ছেলে-মেয়ের পছন্দ বিরোধীতা করা মানেই কোন অপ্রীতিকর ঘটনার জম্ম দেওয়ায়। তারা দুই জনে বিয়ে করে আমার ঢাকার ভাড়া বাসাতেই উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু ইউসুফ বলেন, ৯ম শ্রেনী হোক আর ১০ শ্রেনীর ছাত্রই হোক এলাকাতে বাল্য বিয়ে হলে প্রতিহত করা হতো।