লালমনিরহাটের হারাটী ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাট জীবাণুনাশক স্প্রে করছেন আ’লীগের দুই নেতা

প্রকাশিত

আসাদুল ইসলাম সবুজ, লালমনিরহাট- প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রামণরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রচারণার পাশাপাশি জীবাণুনাশক স্প্রে করছেন আ’লীগের দুই হেভিওয়েট নেতা।
গত ক’দিন যাবত লালমনিরহাট সদর উপজেলার হারাটী ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রামের গ্রামের রাস্তা, পাড়া ও মহল্লায় জীবাণুনাশক স্প্রে করছেন উক্ত ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল হক খন্দকার রানা ও সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান বিটু।
জানা গেছে, বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) একটি আতঙ্কিত নাম। সারাবিশ্বে ২৭ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও দেশে মৃত্যুর সংখ্যা ৫ জন এবং আক্রান্ত সারাবিশ্বে ৫ লাখের বেশি হলেও বাংলাদেশে রয়েছে ঝঁকুিতে। সচেতনতাই প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের সংক্রমণরোধের একমাত্র উপায় দাবি করে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা পরিচ্ছন্নতা, সতর্কতা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলেছে। দেশের শহর গুলো সতর্ক মেনে চললেও অনেকাংশে উদাসিন গ্রামীন জনপদ।
অজ্ঞ, অশিক্ষিত, হতদরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষগুলো সচেতন না হলে করোনায় বড় ভয়াবহতার আশঙ্কা করছেন সুশীল সমাজ। গ্রামের পর গ্রামে অর্ধশিক্ষিত ও অশিক্ষিত কর্মজীবী মানুষের সংখ্যা সদর উপজেলার হারাটী ইউনিয়নও অনেক। এসব
মানুষকে সচেতনতা করার পাশাপাশি হারাটী ইউনিয়নে গ্রামের পর গ্রামের রাস্তা, পাড়া ও মহল্লায় জীবাণুনাশক স্প্রে করছেন আ’লীগের ওই দুই হেভিওয়েট নেতা।
এ বিষয়ে হারাটী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল হক খন্দকার রানা বলেন, করোনা ভাইরাস শুরুতেই আমি পুরো ইউনিয়নে মাইকিং এর মাধ্যমে সচেতন করেছি। ৩১ মার্চ সকাল থেকেই হারাটী ইউনিয়নের নামুড়ী হারাটী, খামার হারাটী, সরকারটারী এলাকায় করোনা ভাইরাস সচেতনতায় বাড়ির আনাচে-কানাচে জীবাণুনাশক স্প্রে শুরু করছি। এভাবে পুরো ইউনিয়ন আগামী ৩/৪ দিনের মধ্যে জীবাণুনাশক স্প্রে সম্পন্ন করা হবে। এর পাশাপাশি ইউনিয়নের জনসাধারণকে বার বার সাবান ব্যবহার, হেক্সিসল, হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোঁয়া, মুখে মাক্স ব্যবহার করা, যে খানে সে খানে সর্দি, কাশি, থু-থু না ফেলতে পরামর্শ প্রদান করাসহ করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা করছি।
অপরদিকে সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান বিটু বলেন, শুধু প্রচারণা আর জীবাণুনাশক স্প্রে নয়, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত এক সপ্তাহ ধরে গ্রামের বিভিন্ন পাড়ায় মহল্লায় ছুটে হতদরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের লোকজনের হাতে তুলে দিচ্ছেন মাস্ক ও সাবান। বার বার হাত ধোঁয়া, মুখে মাক্স ব্যবহার করার পরার্মশসহ সচেতনতা করছি, যে কোন বিদেশ ফেরত ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইন রাখা, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিকে পরিবারের অন্য সদস্য হতে আলাদা রাখতে হবে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাহিরে বের না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করছি।