শরণখোলায় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে মসজিদের টাকা আত্মসাৎ, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

প্রকাশিত
শরণখোলা,বাগেরহাট সংবাদদাতা: বাগেরহাটের শরণখোলায় একটি জামে মসজিদের নামে যৌথ একাউন্টের টাকা স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করার প্রতিবাদে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের জলেরঘাট জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করা হয়।
এসময় স্থানীয় জলেরঘাট জামে মসজিদের মুসল্লিসহ এলাকার শতশত লোক এসে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচীতে অংশ নেয় । মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. রুস্তম বয়াতির সভাপতিত্বে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কমিটির তৎকালিন সভাপতি মো. শাহজাহান ফরাজী,বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হোসেন,তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মো.আব্দুর রহমান হাওলাদার, ওই মসজিদের সাবেক ইমাম মাওলানা মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. আব্দুর রব মাষ্টার, মো.ফরিদ  হাওলাদার,মো. আসাদুল হাওলাদার প্রমূখ ।
বক্তারা বলেন, জলেরঘাট জামে মসজিদের সামনে যে পিএসএফ টি রয়েছে সেটি ৩৫/১ পোল্ডার বেড়িবাঁধের আওতাভুক্ত হওয়ায় বিশ্বব্যাংক তার ক্ষতিপূরণ দিতে মসজিদটির নামে সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের যৌথ একটি একাউন্ট খুলতে বলেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শরণখোলা শাখায় মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ মো. ইসাহাক মোল্লার সমন্বয় ২০১৫ সালের নভেম্বরের প্রথমদিকে পানিরঘাট জামে মসজিদের নামে দুজনে যৌথ একটি একাউন্ট খোলেন । পরবর্তী সময়ে বেড়িবাঁধ কর্তৃপক্ষ ওই একাউন্টে ১৬/০৭/২০১৭ তারিখে ৭৫৫৯০ টাকা পিএসএফ এর ক্ষতিপূরণ হিসেবে জমা করেন।
কিন্তু ওই টাকা যৌথ একাউন্টের মালিক সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হোসেনকে না জানিয়ে ও তার সাক্ষর জাল জালিয়াতির মাধ্যমে অপর একাউন্টার আত্মসাৎকারী কোষাধ্যক্ষ মো. ইসাহাক মোল্লা ২৯/০৮/২০১৭ তারিখ ৫৫ হাজার ও ৩১/০১/২০১৭ তারিখে ২১ হাজার, সব মিলিয়ে মোট ৭৬ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।
এসময় বক্তারা আরো বলেন,আমাদের মসজিদ টি একেবারে নাজুক অবস্থায় রয়েছে,এখানে নামাজ পড়ার মত কোনো পরিবেশ নাই,তাই আত্মসাৎকৃত টাকাটা পেলে মসজিদের উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা যেত । তাই প্রশাসনের কাছে তাদের দাবি তারা যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে মসজিদের আত্মসাৎ হওয়া টাকা ফেরৎ পান ।