শীত এলেই অর্থনৈতিক দ্বাড় খুলে যায় কাজিপুরের কম্বলপল্লীতে

প্রকাশিত
মিজান রহমান: কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সরগরম হয়ে উঠছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের কম্বলপল্লী। দাম কম আর গুণগতমান ভালো হওয়ায় এখানকার কম্বলের চাহিদা রয়েছে দেশজুড়ে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকার আসছেন কম্বল কিনতে। তবে এ শিল্পের আরও প্রসার ঘটাতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে একটি ব্যাংক স্থাপনের দাবি ব্যবসায়ীদের।
প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার শিমুলদাইড়, কুনকুনিয়া ঢেকুরিয়া, ছালাভরা সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে গড়ে উঠেছে কম্বল তৈরির কারখানা। গার্মেন্টসের ছোট ছোট টুকরা কাপড় সেলাই করে এখানে তৈরি করা হচ্ছে নানা রং এর বাহারি রকমের কম্বল।
ছোট বড় মিলে ৫ শতাধিক কম্বল তৈরির কারখানায় দিন রাত তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন রকমের কম্বল। দামে কম আর গুণগতমান ভালো হওয়ায় এখনকার কম্বলের চাহিদা রয়েছে দেশজুড়ে। তাই শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকাররা ভিড় করছেন কম্বল কিনতে।
এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িয়ে থাকা প্রায় ২০ হাজার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
কম্বল শিল্পের আরও প্রসারের জন্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে একটি ব্যাংক স্থাপনের দাবি জানান কম্বল ব্যবসায়ীরা।
অবশ্য ব্যবসায়ীদের নিরাপদে আর্থিক লেনদেনের জন্য বাজারে একটি ব্যাংক স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদ হাসান সিদ্দিকী।
এখানে ১৩০ টাকা থেকে এক হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের কম্বল পাওয়া যায়। আর প্রতিদিন প্রায় অর্ধকোটি টাকার কম্বল বিক্রি হয় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।