শেখ হাসিনা বিশ্বের সেরা ৩ জন সৎ প্রধানমন্ত্রীর একজন : শামীম

প্রকাশিত

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা : জননেত্রী শেখ হাসিনা পৃথিবীর সেরা তিনজন সৎ প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একজন। তাঁর সরকারের আমলে দেশে দূর্নিতির কোন সুযোগ নেই। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নির্বাচনি ইশতেহারের মধ্যে প্রধান ইশতেহার ছিলো দূর্নিতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করবে। যেখানেই দূর্নিতি হবে সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

 
শুধু আমার মন্ত্রণালয় নয় যেকোন দপ্তরে যদি দূর্নিতির কোন প্রমাণ আমরা পাই তাহলে সেটার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। বাংলাদেশকে নিম্ন আয়ের রাষ্ট্র থেকে মধ্যম আয়ের রাষ্ট্রে উন্নিত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের সবাই অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে সামনে আমাদের আরো কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। সেখানে দূর্নিতিকে কোন পশ্রয় দেয়া হবে না। 
 
শুক্রবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে ডিএনডি এলাকার নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয় শীর্ষক প্রকল্পের ২য় পর্যায়ের কাজ পরিদর্শনে আসেন বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রি জনাব জাহিদ ফারুক এবং উপমন্ত্রী জনাব এ.কে.এম এনামুল হক শামীম। এসময় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
 
তিনি আরো বলেন, ডিএনডি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের ৩৭ভাগ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। জুলাই ২০২০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। 
 
আশা করছি নির্দিষ্ট সময়ের আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। আগামী বর্ষাকে সামনে রেখে প্রকল্পের কাজ করা হচ্ছে। ডিএনডি অভ্যন্তরে ২২ লক্ষ্য মানুষকে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষার জন্য আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে পাম্পগুলো সচল করা হবে। যাতে করে এবছর ডিএনডি অভ্যন্তরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়। 
 
এর পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব জাহিদ ফারুক বলেন, ডিএনডি এলাকাটি একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। এই এলাকায় কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন রকম প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে সেনাবাহিনির। এসব প্রতিবন্ধকতাগুলো নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আইনি পক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা এসব সমস্যার সমাধান করছি। 
 
এসব বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে কোন রকম উদ্বেগ তৈরি না হয়। আমাদের লক্ষ্য সঠিক সময়ে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করা। এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে হাতির ঝিলের চাইতেও বড় এবং সুন্দর হবে ডিএনডি অভ্যন্তরের এলাকা। ডিএনডি অভ্যন্তরে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার খাল আমরা উদ্ধার ও সংস্কার করছি। এসব খাল দিয়ে ওয়াটার বাস চলাচল করবে। যেভাবে প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হয়েছিলো ঠিক সেভাবেই কাজ হচ্ছে। 
 
এসময় প্রতিমন্ত্রি ও উপমন্ত্রির সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনির ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কন্সট্রাকশন ব্রিগেডের মহাপরিচালক ব্রিঃ জেঃ এফ.এম. জাহিদ হোসেন, ডিএনডি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ মাসফিকুল আলম ভূঞা, প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর সৈয়দ মোস্তাকীম হায়দার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ মাহফুজুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ববধায়ক প্রকৌশলি আব্দুল মতিন সরকার, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়া, নাসিক প্যানেল মেয়র-২ মতিউর রহমান, নাসিক ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহজালাল বাদল, নাসিক ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইফতেখার আলমসহ স্থানীয় আরো অনেকে।