সব ধরনের কোচিং সেন্টার বেআইনি : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত

বাংলাদেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বেআইনি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

বুধবার (২৮ মার্চ) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, সব ধরনের কোচিং সেন্টারই বেআইনি। আমরা হয়ত আইন প্রয়োগ করে নিজেরা বন্ধ করতে পারি না, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী (কোচিং সেন্টার) বন্ধ করে। কোনো ধরনের কোচিং সেন্টারই আইনগত অ্যালাউড না। কোচিং সেন্টার বন্ধ করার ক্ষমতা মন্ত্রণালয়ের হাতে নেই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, হাইকোর্টের রায় আছে কোচিং সেন্টার, গাইড বই, নোট বই- এগুলো বেআইনি। কিন্তু তার পরেও আমাদের দেশে অনেক অপরাধ হচ্ছে, বেআইনি কাজ হচ্ছে। ইচ্ছে করলেই সব বন্ধ করে দেওয়া যায় না। তারপরেও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের হাতে আইন প্রয়োগ করার ক্ষমতা বা শক্তি নাই, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট আছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এর সঙ্গে সম্পৃক্ত আছে।

তিনি বলেন, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা সামনে রেখে আগামী ২৯ মার্চ থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া সারা দেশে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা হবে।

এবারের এইচএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ২ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত। আর ১৪ থেকে ২৩ মের মধ্যে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এই সমাপনী পরীক্ষায় এবার ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে; যা গতবারের চেয়ে এক লাখ ২৭ হাজার ৭৭১ জন বেশি।

আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায় এইচএসসিতে প্রশ্ন ফাঁস হবে না বলেই আশা করছেন শিক্ষামন্ত্রী।

এসএসসিতে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ৫২টি মামলায় ১৫৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের মধ্যে যেসব শিক্ষক রয়েছেন, তাদের চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান মন্ত্রী।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।