সিলেটে দু’পক্ষের সংঘর্ষ-গোলাগুলিতে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাসহ নিহত ২ ও আহত ১৫।

প্রকাশিত

বিশেষ প্রতিবেদকঃ সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বরইকান্দি এলাকার ৩ নম্বর রোড ও ১০ নম্বর রোডের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে দু’জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর থেকে ঘটনাস্থলে বিপুল পরিমান পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সোমবার (০৫ মার্চ) ও আজ মঙ্গলবার (০৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বরইকান্দি এলাকায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গৌছ মিয়া ও কোম্পানীগঞ্জের তেলিখাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ আলফু মিয়ার লোকজনের মধ্যে সংঘর্র্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি ও বরইকান্দি এলাকার জমসেদ মিয়ার ছেলে মাসুক মিয়া ও একই এলাকার শফিক মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া। সকালে তাদের আহত অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়। ওসমানী হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. আব্দুল মান্নান জানান, নিহতদের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ৮টার দিকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বরইকান্দিতে গায়ের উপর মোটরসাইকেল তুলে দেয়াকে কেন্দ্র করে আলফু মিয়ার ছেলের সঙ্গে গৌছ মিয়ার ছেলের কথা কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে রাতেই দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৪/৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় দু’পক্ষের মধ্যে কয়েক রাউন্ড গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি দোকান ভাংচুর করা হয়। রাত ৯টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এদিকে আজ মঙ্গলবার সকালে এরই জের ধরে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আবারো সংঘর্র্ষে জড়িয়ে পড়লে দুইজন নিহত হন। এতে আহত হয়েছে প্রায় অর্ধশত লোকজন।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিএনএন বিডি ২৪.কমকে জানান, দুই যুবকের কথাকাটির জের ধরে সোমবার রাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুটি পক্ষ। এরপর আজ মঙ্গলবার সকালেও আবারো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ২জন নিহত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আবদুল ওয়াহাক মিঞা বলেন, সংঘর্ষে দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।